Current Bangladesh Time
সোমবার আগস্ট ৩, ২০২৬ ৫:১৯ পূর্বাহ্ণ
Latest News
প্রচ্ছদ  » স্লাইডার নিউজ » শিক্ষকদের শাটডাউনে অচল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় 
Monday May 11, 2026 , 4:11 pm
Print this E-mail this

স্থবির হয়ে পড়েছে সাধারণ শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম

শিক্ষকদের শাটডাউনে অচল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়


মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) দ্বিতীয় দফায় ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে স্থবির হয়ে পড়েছে সাধারণ শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। পদোন্নতি নীতিমালা বাস্তবায়ন, শিক্ষক সংকট নিরসন এবং উপাচার্যের অপসারণের এক দফা দাবিতে এই কঠোর আন্দোলনে নেমেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। সোমবার (১১ মে) সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্লাস ও সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বর্জন করেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এই কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও নিজ নিজ দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। আন্দোলনকে গতিশীল করতে এরই মধ্যে প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পদ থেকে তিনজন শিক্ষক পদত্যাগ করেছেন। আন্দোলনরত শিক্ষকরা বর্তমান উপাচার্য প্রফেসর ড. তৌফিক আলমকে ক্যাম্পাসে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করেছেন। এর আগে গত ২১ এপ্রিল থেকে শিক্ষকরা অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে বিভাগীয় কমিশনারের মধ্যস্থতায় আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কোন ফলপ্রসূ সমাধান আনতে পারেনি। সহযোগী অধ্যাপক ড. হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, উপাচার্য আমাদের কোন দাবি বাস্তবায়নে কাজ করছেন না। তিনি সংবিধি প্রণয়নের কথা বলছেন। অথচ যে নীতিমালায়তে বিশ্ববিদ্যালয় চলে, যে নীতিমালায় আগে পদোন্নতি হয়েছে সেই নীতিমালায় শিক্ষকদের পদোন্নতি হতে পারে। কিন্তু তিনি দীর্ঘদিনের যৌক্তিক দাবি আদায়ে কোন কার্যকর সহায়তা করছেন না, বরং গড়িমসি করছেন। আন্দোলনকারী শিক্ষক ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রয় বলেন, আমরা উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছি। তাকে আমরা প্রশাসনিকভাবে কোন সহযোগিতা করবো না। বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষকরা পদত্যাগ করছেন। ইতোমধ্যে তিনজন পদত্যাগ করেছেন। পদোন্নতি বোর্ড বসানোর ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও উপাচার্য বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছেন। তাই আমরা আর তাকে প্রশাসনিক সহযোগিতা করবো না। সহযোগী অধ্যাপক শাহনাজ পারভীন রিমি বলেন, আমরাতো উপাচার্যের ভরসায় ছিলাম। অথচ আমাদের প্রাপ্য মর্যাদা পেতে তিনি সহায়তা করছেন না। সহজভাবে যেখানে আমাদের পদোন্নতি হওয়ার কথা সেখানে নানান অজুহাতে পদোন্নতি আটকে রাখছেন। আমরা আমাদের ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থেকে ফিরবো না। উপাচার্য প্রফেসর ড. তৌফিক আলম বলেন, প্রয়োজনীয় সংবিধি প্রণয়ন না হওয়ায় শিক্ষকদের সব দাবি তাৎক্ষণিক বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। আমি ইউজিসির সঙ্গে কথা বলেছি। বারবার শিক্ষকদের সঙ্গে বসার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা আন্দোলন ইস্যুতে অনড়। অথচ আমরা আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান করতে পারি। শিক্ষকদের আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ও স্থবির হয়ে পড়েছে।




Archives

Image
বরিশারে অস্ত্র মামলায় ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী ফয়জুল হক গ্রেপ্তার
Image
অতঃপর বরিশালের সিভিল সার্জন মনিরুজ্জামানকে বদলি
Image
বরিশালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৬ লাখ টাকা জরিমানা, ২ ড্রেজার ও ২ বাল্কহেড জব্দ
Image
বরিশালে খাল খনন না করেই বরাদ্দের কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও
Image
বরিশাল জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন