নিজস্ব প্রতিবেদক : একের পর এক বড় অপরাধ আর বির্তকে জড়িয়ে পড়ছে পুলিশ। অপরাধীকে আইনের আওতায় না এনে কিছু পুলিশ সদস্য ভয়ঙ্কর সব অপরাধে সম্পৃক্ত। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তারা বেআইনি সব কাজ করছেন। অপরাধীদের সঙ্গে পুলিশের এমন সখ্যে ঊর্ধ্বতন পুলিশ প্রশাসনও বেশ বিব্রত। ঠিক এমন সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল বিজয় হোসেনের চোরাই গাড়ি বিক্রির লেনদেনের ভিডিও ছড়িয়ে পরেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। গত কয়েকদিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিজয় হোসেনকে পুলিশ লাইনসে ক্লোজড করা হয়েছে।ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বরিশাল মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল বিজয় হোসেন ৫০ হাজার টাকা নিয়ে ২ টি গাড়ি দেয়ার কথা বলে। ১৫ দিনের মধ্যে সেই গাড়ি ক্রেতার হাতে তুলে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়াও বিজয়ের বিরুদ্ধে চোরাই গাড়ি এনে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। আরআরএফ পুলিশ লাইনের ২ কনস্টেবলের কাছ থেকে তিনি ৫০ হাজার টাকা নিয়েছেন। পরে তারা অভিযোগ করলে একজনের টাকা ফিরিয়ে দিলেও এখনও অন্য একজনের টাকা ফিরিয়ে দিতে পারেনি। পুলিশের একটি সূত্র জানায়, বিজয় দীর্ঘদিন এই চোরাই গাড়ির ব্যবসা করে আসছে। সে গাড়ি দেয়ার নাম করেও অনেকের টাকা আত্মসাত করেছে। আবার অনেকেই অভিযোগ করে টাকা ফিরে পেয়েছেন। এ বিষয়ে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর রবিউল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। ২ কনস্টেবল অভিযোগ দিয়েছে। একজনের টাকা ফেরত দিয়েছে। অন্যজনের টাকা আগামী মাসে দিবে। এছাড়াও যদি কেউ টাকা পায় ডিসি স্যারের কাছে অভিযোগ দিতে পারে। এ বিষয়ে উপ পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) খাইরুল আলম বলেন, বিষয়টি শোনার পরেই তাকে পুলিশ লাইনে ক্লোসড করা হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।