প্রচ্ছদ » স্লাইডার নিউজ » বরগুনার আমতলীতে ব্রীজ ভেঙ্গে অর্ধলক্ষাধিক মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
Wednesday March 20, 2019 , 11:39 am
বরগুনার আমতলীতে ব্রীজ ভেঙ্গে অর্ধলক্ষাধিক মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ও কুকুয়া ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামের কুতুবপুর সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা সলগ্ন গড়াই নদীর উপর নির্মিত আয়রণ ব্রীজটি ভেঙ্গে পড়ায় প্রায় অর্ধ লক্ষ মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সরকারী সুত্র জানায়, ২০০৮ সালে ৬৫ মিটার এ আয়রণ ব্রীজটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রায় ২৫ লাখ ব্যয়ে নির্মান করে। গত ৭ মার্চ ঘূর্ণিঝড়ে ও জোয়ারের পানির তোরে ব্রীজের মাঝখান দিয়ে প্রায় ২০ মিটার ভেঙ্গে গেছে। বাকী অংশও নড়বড়ে অবস্থায় আছে। যে কোনো সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে। আয়রণ ব্রিজের মাঝখানের ২০ মিটার ভেঙ্গে নদীতে পড়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে হলদিয়া ইউপির রাওঘা, আঠারগাছিয়া ইউপির উত্তর গাজীপুর, কুকুয়া ইউপির কৃষ্ণনগর, কুকুয়া গ্রামসহ কুতুবপুর ফাজিল মাদ্রাসা, কুকুয়া শহীদ সরোয়ার্দী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গাজীপুর অগ্রদুত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুকুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রীসহ ৫০ হাজার মানুষ। শিক্ষার্থী ও পথচারীদের প্রায় ৩ কিলোমিটার পথ ঘুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গন্তব্যে যেতে হয়। কুতুবপুর ফাজিল মাদ্রাসার উপ-অধ্যক্ষ মাও: মো. নাসির উদ্দিন জানান, ব্রিজটি পড়ায় দুর্ভোগে পড়েছে এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। গ্রাম বাসী ও শিক্ষার্থীদের প্রায় ৩ কিলোমিটার পথ ঘুরে গন্তব্যে যেতে হয়। তিনি অবিলম্বে নতুন ভাবে ব্রীজ নির্মানের দাবী জানান। কুতুবপুর মাদ্রাসার আলিম শ্রেনীর ছাত্র মো: নেছার উদ্দিন জানান, ব্রিজটি ভেঙ্গে যাওয়ার সময় আমিও ব্রীজে ছিলাম। এ সময় আমি ও নদীতে পড়ে যাই আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে কেটে যায়। এলাকাবাসী জানান, প্রতিদিন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ হাজার হাজার মানুষ এ ব্রিজ দিয়ে পারাপার হচ্ছে। এ ব্রিজটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। কুকুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো: বোরহান উদ্দিন আহমেদ মাসুম তালুকদার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত নতুন ব্রীজ নির্মানের জন্য উপজেলা প্রকৌশলীকে অবহিত করেন। আপাদত এলাকাবাসীর চলাচলের জন্য খেয়া ও বড় ধরণের বাঁশের সাকো স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যকে নির্দেশ দেন। আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো: নজরুল ইসলাম জানান, ব্রীজ এলাকা পরিদর্শন করেছি। যথাশীঘ্র সম্ভব ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।