Current Bangladesh Time
মঙ্গলবার সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ ৮:২৬ পূর্বাহ্ণ
Latest News
প্রচ্ছদ  » স্লাইডার নিউজ » বরিশাল সিটির সচিব রুম্পার বেতন দুই বছর বাড়বে না 
Friday April 3, 2026 , 7:31 pm
Print this E-mail this

প্রশাসনিক দক্ষতার অভাব ও কর্তব্য অবহেলা প্রমাণিত হওয়ায়

বরিশাল সিটির সচিব রুম্পার বেতন দুই বছর বাড়বে না


মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : কর্তব্য অবহেলার দায়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সচিব ও আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা সিকদারকে দণ্ড দিয়েছে মন্ত্রণালয়। দুই বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করে তাকে লঘুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। ১ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা ৫ শাখার সিনিয়র সচিব এহছানুল হক স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ওই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, রুম্পা সিকদার ২০১৯ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদে কর্মরত ছিলেন। এ সময়ে নলছিটি উপজেলা আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় ২০২১-২২ অর্থবছরে তৃতীয় পর্যায়ের বরাদ্দকৃত ৩০২টি ঘরের মধ্যে মাটিভাঙা এলাকায় ১২৮টি ঘর নির্মাণের জন্য প্রাথমিক ১ কোটি ৪৫ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ পান। পরবর্তীতে নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম সরেজমিন পরিদর্শন করলে দেখতে পান ১২৮টি ঘরের মধ্যে ৫৫টি ঘরই নির্মাণ করা হয়নি। ৫৫টি ঘর নির্মাণে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বিজন কৃষ্ণ খরাতীর প্রস্তাবে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা সিকদার সমুদয় চেকে স্বাক্ষর করেন।সরেজমিন পরিদর্শনে অসঙ্গতি উঠে এলে পরে বিজন কৃষ্ণকে জিজ্ঞাসাবাদে সেই বিষয়টি স্বীকার করে ৫৫টি ঘর নির্মাণে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ঘর নির্মাণের লক্ষ্যে ঘরপ্রতি বর্তমান রেট ৩ লাখ ৪ হাজার টাকা ও পরিবহণ ব্যয়সহ সর্বমোট ১ কোটি ৬৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করেন। ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর রুম্পা সিকদারের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা ২০১৮ এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী অসদাচরণের দায়ে বিভাগীয় মামলা রুজু করে অভিযোগনামা ও অভিযোগ বিবরণী জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, বিভাগীয় মামলার অভিযুক্ত কর্মকর্তা লিখিত জবাব ও ব্যক্তিগত শুনানির জন্য আবেদন করেন। ২০২৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বিভাগীয় মামলার ব্যক্তিগত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ব্যক্তিগত শুনানির বক্তব্য সন্তোষজনক না হওয়ায় ন্যায় বিচারের জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তৎকালীন নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা সিকদার ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বিজন কৃষ্ণ খরাতীর যৌথ স্বাক্ষরে ঘর নির্মাণের টাকা উত্তোলন করেছিলেন। ৫৫টি ঘর নির্মাণ করা না হলেও উক্ত টাকা সম্পর্কে কোনো তথ্য বিবরণী কাগজে লিপিবদ্ধ করেননি রুম্পা সিকদার। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তিনি কত টাকার চেক স্বাক্ষর করেছেন এবং সেই টাকা কি উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে তার সব প্রমাণক ও তা দাপ্তরিক নথিপত্রে লিপিবদ্ধ করা প্রয়োজন। তাই এখানে রুম্পা সিকদারের প্রশাসনিক দক্ষতার অভাব ও কর্তব্য অবহেলা প্রমাণিত হয়েছে। রুম্পা সিকদারের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিধি অনুযায়ী ২ বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিত শীর্ষক লঘুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।




Archives

Image
ন্যাম ভবনে এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু
Image
দেড় বছরের হৃদরোগী নন্দিতার পাশে অধ্যক্ষ সাজ্জাদ পারভেজ
Image
বরিশাল প্রেসক্লাব কল্যাণ তহবিলে বিসিসি প্রশাসকের লাখ টাকা অনুদান
Image
বরিশালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিসিসির বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান
Image
বরিশাল মহানগর পুলিশের প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি প্রতিযোগিতা