Current Bangladesh Time
শুক্রবার জুন ৫, ২০২৬ ১২:২০ অপরাহ্ণ
Latest News
প্রচ্ছদ  » স্লাইডার নিউজ » বরিশালে নাম পরিবর্তন একাধিক বিয়ে, পরিচয় গোপন করে প্রতারণা 
Thursday May 7, 2026 , 1:11 pm
Print this E-mail this

জজ কোর্টের কম্পিউটার অপারেটর তাইজুল ইসলাম লাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ

বরিশালে নাম পরিবর্তন একাধিক বিয়ে, পরিচয় গোপন করে প্রতারণা


মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : বরিশাল জজ কোর্টের কম্পিউটার অপারেটর তাইজুল ইসলাম লাবুর বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, পরিচয় গোপন করে প্রতারণা এবং নারীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। ভুক্তভোগী এক নারীর বিস্তারিত বর্ণনায় উঠে এসেছে প্রতারণার ভয়াবহ চিত্র। ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর লাবু নিজের নাম পরিবর্তন করে “সাইফুল ইসলাম রাহাদ” পরিচয়ে তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের সময় তার বাবা-মায়ের নাম সঠিক থাকলেও নিজের পরিবার সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দেন এবং বরিশাল জজ আদালতের এক জেলা জজের পরিবারকে নিজের পরিবার হিসেবে পরিচয় করান। তখন ভুক্তভোগী অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। বিয়ের পর ভুক্তভোগীর পরিবারকে জানানো হয়, ২০১১ সালের ডিসেম্বরেই আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে স্বামীর বাড়িতে তুলে নেওয়া হবে। কিন্তু বছরের পর বছর নানা অজুহাতে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হয়নি। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী নিজেই স্বামীর কাছে যাওয়ার জন্য জোরাজুরি করলে তাকে সাতক্ষীরায় বদলি হয়েছে বলে জানানো হয়। কিন্তু বাস্তবে তাকে বরিশালে এনে নতুনবাজার এলাকায় এক মাস বাসা ভাড়া করে রাখা হয় এবং পরে আবার ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ২০১৫ সালে দীর্ঘ অপেক্ষা ও প্রতারণার পর ভুক্তভোগী স্থায়ীভাবে তার কাছে চলে আসেন এবং সংসার জীবন শুরু করেন। তবে ২০১৭ সালে তিনি জানতে পারেন, তার স্বামীর প্রকৃত নাম তাইজুল ইসলাম লাবু এবং তার আগেও একাধিক বিয়ে রয়েছে—এমনকি দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে একটি সন্তানও আছে। ‎এ অবস্থায়ও সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন ভুক্তভোগী। তিনি লাবুর পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং তার সন্তানের দায়িত্ব নিয়ে নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করতে থাকেন। কিছু সময় স্বাভাবিকভাবে চললেও ২০২২ সালে আবার নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময়ে লাবু মাদারীপুরের একটি মা ও শিশু হাসপাতালে কর্মরত এক নার্সের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং তাকে বিয়ে করেন। পরবর্তীতে ওই নারীও তার আচরণে অসন্তুষ্ট হয়ে সম্পর্ক ত্যাগ করেন। এরপর লাবু ভুক্তভোগীর কাছে ফিরে এসে ক্ষমা চান এবং আর এমন কাজ করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, এরপরও তিনি থেমে থাকেননি। বরিশাল জজ কোর্টে কর্মরত অবস্থায় ‘শিরীন’ নামের আরেক নারীকে বিয়ে করে তার সঙ্গে সংসার শুরু করেন, একই সঙ্গে আগের সংসারও চালিয়ে যেতে থাকেন। ফলে ভুক্তভোগী দীর্ঘদিন ধরেই প্রতারণার শিকার হয়ে আসছেন বলে দাবি করেন। ‎তিনি জানান, “আমি বুঝতেই পারিনি যে একসঙ্গে একাধিক সংসার চালানো হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর সত্য সামনে আসায় আমি দিশেহারা হয়ে পড়েছি।” ‎এ ঘটনায় ইতোমধ্যে একাধিক ভুক্তভোগী আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগগুলো গুরুতর হওয়ায় দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।




Archives

Image
দীর্ঘ ৬ বছর পর বরিশালে পর্দা উঠেলো বাণিজ্যমেলার, জাগছে অর্থনীতির নতুন আশা
Image
বরিশালে ফুটপাত দখলমুক্তে অভিযান, ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
Image
বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার অভিযান, ১০০ পিচ ইয়াবাসহ আটক ২
Image
কারাগারে আসামিদের পরামর্শে ডলারের নাম বলে সোহেল : রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী
Image
বরিশালে ইয়াবা ও গাঁজাসহ পুলিশ কনস্টেবল আটক