Current Bangladesh Time
শনিবার জুন ১৩, ২০২৬ ৩:২১ অপরাহ্ণ
Latest News
প্রচ্ছদ  » স্লাইডার নিউজ » ‘গায়েবি সংস্কার’ দেখিয়ে সাড়ে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ের অভিযোগ 
Wednesday June 10, 2026 , 5:10 pm
Print this E-mail this

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় ৫ আগস্ট আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ভবনটি

‘গায়েবি সংস্কার’ দেখিয়ে সাড়ে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ের অভিযোগ


মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) অ্যানেক্স ভবন ও অন্যান্য স্থাপনার সংস্কার বাবদ প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ের হিসাব নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বাস্তবে কোনো দৃশ্যমান সংস্কারকাজ না হলেও কাগজে-কলমে বিপুল অঙ্কের অর্থ খরচ দেখানো হয়েছে। বিসিসির ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট অনুযায়ী, অ্যানেক্স ভবন ও অন্যান্য ভবনের মেরামত এবং সংস্কার খাতে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৭ কোটি ৪২ লাখ ৬ হাজার ৯৩ টাকা। অথচ সরেজমিনে দেখা গেছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অ্যানেক্স ভবনটি এখনও পরিত্যক্ত ও বিধ্বস্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বিসিসির প্রকৌশল শাখার একাধিক সূত্র জানিয়েছে, গত দুই বছরে অ্যানেক্স ভবন, নগর ভবন কিংবা সিটি কর্পোরেশনের মালিকানাধীন অন্য কোনো ভবনে উল্লেখযোগ্য সংস্কার বা রং করার কাজ হয়নি। এ অবস্থায় বিপুল অঙ্কের অর্থ কোথায় ব্যয় হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জানা গেছে, ৫ আগস্টের সহিংসতার সময় অ্যানেক্স ভবনের নিচতলা থেকে পঞ্চম তলা পর্যন্ত আগুনে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেখানে মেয়রের কার্যালয়, হিসাব ও পরিকল্পনা শাখা, স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা শাখাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর ছিল। ঘটনার পর ক্ষয়ক্ষতির হিসাব তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় এবং পরবর্তীতে বরাদ্দও আসে।তবে স্থানীয়দের দাবি, আগুনে পোড়া মালামাল অপসারণ ছাড়া ভবনটিতে আর কোনো সংস্কারকাজ হয়নি। অ্যানেক্স ভবনের সামনে দীর্ঘদিন ধরে চা বিক্রি করা মো. পলাশ বলেন, “আগুন লাগার অনেকদিন পর শ্রমিকরা পোড়া মালপত্র সরিয়ে নেয়। এরপর থেকে ভবনটি আগের মতোই পড়ে আছে। কোনো সংস্কারকাজ করতে দেখিনি।” বিসিসির প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার জানান, ভবনটি পূণরায় ব্যবহারযোগ্য কিনা তা যাচাই করতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাদের প্রতিবেদনে রিট্রোফিটিংয়ের মাধ্যমে ভবনটি ব্যবহারযোগ্য করার সুপারিশ করা হয়েছে, যার সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা। অন্যদিকে হিসাবরক্ষক কাম বাজেট কর্মকর্তা মো. মইনুদ্দিন বলেন, “প্রকৌশল শাখার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই সংশোধিত বাজেটে সংস্কার খাতে ব্যয় উল্লেখ করা হয়েছে। কোথায় খরচ হয়েছে, তা প্রকৌশল শাখাই ভালো বলতে পারবে।” তবে প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, “কিছু কিছু সংস্কারকাজ হয়েছে। আবার এমনও হতে পারে, কাগজে ভবন সংস্কার দেখানো হলেও অর্থ অন্য কোনো উন্নয়ন খাতে ব্যয় হয়েছে। বিষয়টি হিসাব বিভাগ ভালো বলতে পারবে।” এদিকে ওই সময়ে দায়িত্বে থাকা বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী দাবি করেন, ভবন সংস্কার বাবদ সাড়ে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তিনি বলেন, “বুয়েটের প্রতিবেদনে অ্যানেক্স ভবনকে ব্যবহার অনুপযোগী বলা হয়েছে। ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণার প্রক্রিয়া চলছে।”




Archives

Image
বিশ্বজুড়ে ফেসবুক-মেসেঞ্জারে বিভ্রাট!
Image
অলিম্পিক সিমেন্ট বন্ধের নেপথ্যে : ঋণ সংকট, বিদেশে সম্পদ, অর্থপাচার ও ভ্যাট জালিয়াতি!
Image
ডিবি ও ৪ থানার যৌথ অ্যাকশন : বরিশালে গ্রেফতার ২৯
Image
বরিশাল হার্ট ফাউন্ডেশনের নতুন কমিটি গঠন
Image
জুবায়ের এর পদক্ষেপে বন্ধ হল “এক্সপোজ অফ বরিশাল” পেইজ