Current Bangladesh Time
সোমবার নভেম্বর ২, ২০২৬ ১:৪৯ অপরাহ্ণ
Latest News
প্রচ্ছদ  » স্লাইডার নিউজ » পিরোজপুরের স্বরূপকাঠীতে শ্বশুরের যৌন লালসার শিকার এক পুত্রবধু 
Thursday August 29, 2019 , 1:37 pm
Print this E-mail this

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠীতে শ্বশুরের যৌন লালসার শিকার এক পুত্রবধু


মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : পিরোজপুরের স্বরূপকাঠী উপজেলায় শ্বশুরের যৌন লালসার শিকার হয়েছেন এক পুত্রবধু।  উপজেলার ১নং বলদিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ বাদল মিয়ার (৫৫) বিরুদ্ধে তার পুত্রবধূকে ধর্ষণ অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষিতা পুত্রবধূ অভিযোগ করেন, বাদল মিয়া তার ছেলে মোঃ সোহেলের ৩য় বিবাহ দেয়ার জন্য বরইবাড়ী নিবাসী মোঃ ছাইদুলের কন্যা (ছদ্মনাম) নিলাকে দেখতে যায়। নিলার মা-বাবা তাকে বাচ্চা অবস্থায় ফেলে রেখে চলে গেলে সুখি তার নানা-নানির কাছে বড় হয়। যখন নিলার বয়স ১৫ তখন বাদল মিয়া দেখতে গেলে তৎক্ষনাত কাবিন করেন। নিলাকে তার শশুর ২য় বার তার নানা বাড়ী থেকে তার ছেলে সোহেল ঢাকা থেকে আসবে বলে নিয়ে আসে। কিন্তু ছেলে বাড়ী আসাটা ছিল একটি বাহানা মাত্র। সুখির বয়ান অনুযায়ী তার শাশুড়ী বেড়াতে গেলে ঐদিন দুপুরে বাদল মিয়া তার ঘরের দোতালায় বসে প্রথম তাকে জোরপূর্বক ধর্ষন করে। ছেলে বাড়ী না আসার সুবাদে বাদল মিয়া ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায়ই তার পুত্রবধুকে ধর্ষন করত এবং তার স্বামীকে না বলার জন্য হুমকী দিত যে বললে তোকে আমি পাগল বানিয়ে ফেলব। লম্পট বাদল মিয়া সোহেলের ১ম ও ২য় স্ত্রীর সাথে একই কাজ করত বিধায় তারা শ্বশুরবাড়ী ছেড়ে চলে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকার লোকজনের জানায়, বাদল মিয়া একজন খারাপ প্রকৃতির মানুষ বর্তমানে সে ওঝা সেজেছে এবং মানুষকে ধোঁকা দিয়ে টাকা উপার্জন করছে। নিলা তার স্বামীকে আঁকার ঈঙ্গিতে বোঝাতে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায় নিলা যখন আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে তার শরীরে কেরোসিন ঢেলে দিয়ে আগুন দেয়ার চেষ্টা করে তখন তার শ্বশুর বাড়ীর লোকজন বাধাঁ প্রদান করলে ঘটনাটি ওখানেই থেমে যায়। কিন্তু সুচতুর বাদল মিয়া তার এই অপকর্মের ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তার পুত্রবধুকে বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে তার সহযোগী বলদিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বর মোঃ আলমগীর হোসেনের সহযোগিতায় নিলার নানা-নানিকে খবর দেয়। পরে তারা আসলে মোঃ আলমগীর হোসেন কাজী মোঃ মেসবাহ উদ্দিনকে আসার জন্য বলে। কাজী মেসবাহ আসার পর বাদল মিয়া নিলার নানিকে বিভিন্ন তালবাহানা করে বলে আপনার নাতিনকে নিয়ে যান। পরে যদি কোন অঘটন ঘটে তার দায়িত্ব আমরা নিতে পারব না। বলে একটি স্বাক্ষর রাখে যা পরবর্তিতে জানা যায় ওটা খোলা তালাক। এই কাজের জন্য মোঃ আলমগীর হোসেন ৫ হাজার টাকা দাবী করলে বাদল মিয়া ২ হাজার টাকা দেয়। নিলা বর্তমানে তার নানার বাড়ীতে আছে। নিলার নানা বাড়ীর লোকজন নিলার শ্বশুরের এই অপকর্মের বিচারের দাবি জানান।




Archives

Image
নৌকা বাইচ ঘিরে উৎসবের আমেজে মেতে ওঠে পুরো উজিরপুর
Image
বরিশাল বোর্ডের ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ
Image
বরিশালে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতায় লিফলেট বিতরণ
Image
পাসের হারে শীর্ষে ঢাকা, সর্বনিম্ন বরিশাল বোর্ডে
Image
ফের বেদখল বরিশাল নগরীর চৌমাথা লেকের পাড় : সিটি প্রশাসকের সুদৃষ্টি কামনা