|
ভাণ্ডারিয়ায় ভোগ্যপণ্য তৈরির একটি কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
ভেজাল পণ্যে লাগানো হতো বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোড়ক, মালিকের ২ বছরের জেল
মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ভোগ্যপণ্য তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভেজাল পণ্য জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় জালিয়াতির দায়ে কারখানা মালিক দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে পৌর শহরের লক্ষ্মীপুরা মহল্লার এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিবুল হাসান। দণ্ডপ্রাপ্ত কারখানা মালিকের নাম আল আমিন হাওলাদার। তিনি উপজেলার হেতালিয়া গ্রামের ওবায়দুল হকের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এসব ভেজাল পণ্য উৎপাদন করে স্থানীয়ভাবে বাজারজাত করে আসছিলেন। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে নামি-দামি ব্র্যান্ডের মোড়কসহ বিপুল পরিমাণ নকল ও ভেজাল পণ্য জব্দ করা হয়। জব্দকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে কৃষাণী চিনিগুড়া চাল, কাশ্মীরি সুগন্ধি চাল, নিউ সান আইসক্রিম (কাপ, চকবার ও কোন), রোবো আইস পপ, ভেজাল মধু এবং নিউ সান হোয়াইট ডিটারজেন্ট পাউডার। এছাড়া শিশুদের ভেজাল ড্রিংকস ও জুস তৈরির কেমিক্যাল, হাই স্পিড ড্রিংক, ম্যাংগো ও লিচুর ক্ষতিকর ফ্লেভার, অননুমোদিত রঙ, বিভিন্ন মেশিনারিজ, চারটি রেফ্রিজারেটর এবং তিনটি কম্পিউটারও জব্দ করা হয়। অভিযানকালে আটক আল আমিন হাওলাদার ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকার করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে অবৈধ কারখানাটি সিলগালা করে দেয় প্রশাসন। পরবর্তীতে জব্দকৃত সকল নকল ও ভেজাল পণ্য ভাণ্ডারিয়া লঞ্চঘাট এলাকায় পুড়িয়ে দেওয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাসিবুল হাসান বলেন, নামহীন ওই কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে নানা ভেজাল ভোগ্যপণ্য ও ভেজাল শিশুখাদ্য তৈরি করে কারখানা মালিক স্থানীয়ভাবে বাজারজাত করে আসছিলেন।
Post Views: ০
|
|