স্বস্তি ও কৃতজ্ঞতা : হাঁচির মাধ্যমে শরীর থেকে ক্ষতিকর জীবাণু ও বাতাস বের হয়ে যায়, যার ফলে মানুষ আরাম ও স্বস্তি বোধ করে। এই সুস্থতা ও উপকারের জন্য আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করতে এটি বলা হয়।
সুন্নাহ : এটি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি সুন্নাহ বা নির্দেশিত আমল।
অন্যের দোয়া লাভ : হাঁচি দিয়ে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বললে, পাশ থেকে অন্য মুসলিমের দায়িত্ব হলো ‘ইয়ারহামুকুমুল্লাহ’ (আল্লাহ আপনার প্রতি রহম করুন) বলা। এর মাধ্যমে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দোয়া আদান-প্রদান হয়।
ইসলামে হাঁচির সময় ‘আলহামদুলিল্লাহ’ পড়ার বিধান রয়েছে, কিন্তু কাশির সময় এটি পড়ার কোনো বাধ্যবাধকতা বা সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই।
বিজ্ঞান কি বলে ?
একবার হাঁচি দিলে প্রায় ২০,০০০ থেকে ১,০০,০০০-এর বেশি জীবাণুবাহী কণা বাতাসে ছড়িয়ে যেতে পারে। এই কণাগুলো ঘণ্টায় প্রায় ১৬০ কিলোমিটার গতিতে বের হয় এবং ৬–৮ মিটার (২০–২৫ ফুট) দূর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এগুলোর মধ্যে থাকতে পারে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস। এই কারণেই হাঁচির সময় মুখ ঢেকে রাখা খুব জরুরি, যা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত।
বিজ্ঞান ও ইসলামের মিল :
বিজ্ঞান বলে হাঁচি শরীরের জন্য উপকারী এবং ক্ষতিকর কণা বের করে।
ইসলাম বলে এই উপকারের জন্য আল্লাহ্’র শুকরিয়া আদায় করো।
দুটোই কিন্তু একই সত্যের দিকে ইঙ্গিত করে।
সারকথা :
হাঁচিতে হাজার হাজার জীবাণু বের হয়, তাই মুখ ঢেকে হাঁচি দেওয়া জরুরি।
মুসলিমরা “আলহামদুলিল্লাহ” বলে, কারণ এটি সুন্নাহ, কৃতজ্ঞতার প্রকাশ এবং সামাজিক সৌন্দর্যের অংশ।