|
হোটেল পরিচালনার ক্ষেত্রে বৈধ কাগজপত্র, নিবন্ধনবিহীন কার্যক্রম এবং বিভিন্ন নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ
বরিশাল নগরীতে আবাসিক হোটেলে অবৈধ কার্যক্রম দমনে জোরালো অভিযান, প্রশংসায় ভাসছেন কোতোয়ালি থানার ওসি
মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : বরিশাল নগরীতে আবাসিক হোটেলগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা অনৈতিক ও অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে জোরালো অভিযান পরিচালনা করে ব্যাপক প্রশংসায় ভাসছেন কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মামুন উল ইসলাম। সাম্প্রতিক সময়ে নগরীর বিভিন্ন হোটেলকে ঘিরে ওঠা অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নগরীর একাধিক আবাসিক হোটেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধারাবাহিক তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানের সময় অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি হোটেল পরিচালনার ক্ষেত্রে বৈধ কাগজপত্র না থাকা, নিবন্ধনবিহীন কার্যক্রম এবং বিভিন্ন নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট হোটেল মালিকদেরও কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরণের কার্যক্রমের পুনরাবৃত্তি না ঘটে। অভিযানের নেতৃত্ব দেন, পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মিহির চন্দ্র দাস। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধে তার দৃঢ় অবস্থান ইতোমধ্যেই নগরবাসীর মধ্যে বেশ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ ধরণের অভিযান কেবল আইন প্রয়োগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অপরাধ প্রবণতা কমানোর লক্ষ্যেও পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে কিছু আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কর্মকাণ্ড চললেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ ছিল না। বর্তমান এই উদ্যোগে তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তাদের মতে, এমন কার্যকর পদক্ষেপ নগরীর সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সচেতন মহল মনে করছে, এ ধরণের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকলে বরিশাল নগরী আরও নিরাপদ, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং বসবাসযোগ্য হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে, যা ভবিষ্যতে অপরাধ দমনে সহায়ক হবে। এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মামুন উল ইসলাম বলেন, “বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) কমিশনার শফিকুল ইসলামের নির্দেশনায় নগরীতে আইনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করা হবে না। নগরীর শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমাদের এ ধরণের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।” এদিকে, পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে নগরবাসী। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও এ ধরণের অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং বরিশালকে অপরাধমুক্ত ও নিরাপদ নগরীতে পরিণত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
Post Views: ০
|
|