Current Bangladesh Time
বুধবার মে ২০, ২০২৬ ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
Latest News
প্রচ্ছদ  » স্লাইডার নিউজ » ধর্ষণের পর শিশু রামিসাকে হত্যা, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন 
Wednesday May 20, 2026 , 4:11 pm
Print this E-mail this

পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার

ধর্ষণের পর শিশু রামিসাকে হত্যা, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন


বামে ও ডানে দুই অভিযুক্ত এবং মাঝে নিহত শিশু রামিসা

মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সাত বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। মরদেহ গুম করতে ঘাড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং শরীরের অন্য অংশও টুকরো করার চেষ্টা চালানো হয়। এ ঘটনায় পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার (২৬) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার (মে ১৯) রাতে  শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের গ্রেফতার ও ঘটনার রহস্য উদঘাটন প্রসঙ্গে পল্লবী থানায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে ঘটনার বিস্তারিত বিষয় নিয়ে কথা বলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এন নজরুল ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য রামিসাকে খুঁজতে থাকেন তাঁর মা। একপর্যায়ে তিনি বাসার দরজার সামনে শিশুটির একটি জুতা পড়ে থাকতে দেখেন। শিশুটি পাশের ফ্ল্যাটে গেছে—এমন সন্দেহ থেকে তাঁর মা দরজায় ধাক্কাধাক্কি করেন। কিন্তু পাশের ফ্ল্যাটের দরজা ভেতর থেকে আটকানো ছিল। মায়ের চিৎকারে আরও লোকজন সেখানে আসেন। পরে ধাক্কা দিয়ে দরজা খুলে শিশু লামিসার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় মূল আসামি সোহেল রানাকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। লোকজন আসার আগেই তিনি জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে সেখানে পাওয়া যায়। এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সম্ভবত বাথরুমে শিশুটির সঙ্গে মূল আসামির অবৈধ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। আলামত সংগ্রহ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) পাঠানো হয়েছে। শিশুটির সঙ্গে আসামির কোনো যৌন ক্রিয়া হয়েছে কি না তা পরবর্তীতে বিস্তারিত জানা যাবে।’ মরদেহ টুকরো করার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘পরবর্তীতে মরদেহ লুকানোর জন্যই সম্ভবত মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। হাত কেটে টুকরো করার চেষ্টাও করা হয়। কিন্তু শিশুটির মা দরজায় ধাক্কাধাক্কি শুরু করলে মূল আসামি জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। পুরো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেননি তিনি।’ প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা, ধর্ষণের কারণে শিশুটির রক্তপাত শুরু হলে তাঁকে হত্যা করে মরদেহ গুম করার পরিকল্পনা করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। ঘটনায় ব্যবহৃত ছুরি এবং মৃতদেহের বিচ্ছিন্ন মাথাসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।’ গ্রেপ্তার সোহেল রানার চরিত্র সম্পর্কে পুলিশ জানায়, ‘তার বিরুদ্ধে নাটোরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। তার স্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘তিনি সম্ভবত বিকৃত যৌনরুচিসম্পন্ন একটা লোক। তিনি তার স্ত্রীকেও বিভিন্নভাবে টর্চার করেছেন।’ ঘটনার পর প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মিরপুর ১১ নম্বরের মিল্লাত ক্যাম্প সংলগ্ন বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। খবর পেয়ে পল্লবী থানা পুলিশ, সিআইডি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।




Archives
Image
পিরোজপুরের কাউখালীতে বিশাল আকৃতির ষাঁড় “জমিদার”
Image
পিরোজপুরের কাউখালীতে ভিজিএফ’র চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ
Image
ধর্ষণের পর শিশু রামিসাকে হত্যা, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন
Image
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৭ শিশু
Image
হঠাৎ বরিশাল নৌবন্দর পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, অনুপস্থিত বহু কর্মী