কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের চার কেন্দ্রের ঘোষিত ফলে এগিয়ে আছেন তিনি
এগিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ, এক কেন্দ্রে কোনও ভোট পাননি প্রতিদ্বন্দ্বী
মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের চার কেন্দ্রের ঘোষিত ফলে এগিয়ে আছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। সর্বশেষ কেন্দ্র থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, নিজ কেন্দ্র গোপাল নগরে হাসনাত পেয়েছেন ৩০৮৪ ভোট। এই কেন্দ্রে তার প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আ. জসিম উদ্দিন (ট্রাক প্রতীক) এক ভোটও পাননি। এ ছাড়া পৌরসভার ৭ ওয়ার্ড কেন্দ্রে হাসনাত পেয়েছেন ১৩৮৩ ভোট, জসিম উদ্দিন পেয়েছেন ৪৮০ ভোট, নবীপুর কেন্দ্রে হাসনাত ১১৪৪, ট্রাক ৭২ ও মহেশপুর কেন্দ্রে হাসনাত ২২৮০, ট্রাক ২৬৬ ভোট পায়। চার কেন্দ্র মিলিয়ে হাসনাত পেয়েছেন ৭৮৯২ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী জসিম পেয়েছেন ৮১৮ভোট। এরই মধ্যে কুমিল্লা-৪ আসনে নানা অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আ. জসিম উদ্দিন (ট্রাক প্রতীক)। বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর বিকাল ৫টার দিকে ফেসবুক লাইভে এ ঘোষণা দেন তিনি। ফেসবুক লাইভে জসিম উদ্দিন অভিযোগ করেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে তার এজেন্টদের প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং অনেক কেন্দ্র থেকে তাদের বের করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সাধারণ ভোটারদের ভোট দানে বাধা ও নির্দিষ্ট প্রতীকে সিল মারার অভিযোগ পেয়েছি। এটি প্রহসনের নির্বাচন। এজন্য বর্জন করলাম। আসনটিতে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। ঋণখেলাপির অভিযোগে প্রার্থিতা হারান বিএনপির নেতা মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। গত ৪ ফেব্রুয়ারি গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আ. জসিম উদ্দিনকে সমর্থন জানিয়েছে বিএনপি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন সাবেক চারবারের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। রিটার্নিং কর্মকর্তার দফতরে যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বৈধ হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ‘বিএনপির প্রার্থী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন’-নির্বাচন কমিশনে এমন অভিযোগে আপিল করেন হাসনাত আবদুল্লাহ। এতে শুনানিতে প্রার্থিতা হারান মুন্সী। এরপর হাইকোর্ট রিট এবং সর্বশেষ প্রার্থিতা ফিরে পেতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) করলেও সেটিও ১ ফেব্রুয়ারি খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। এতে আর নির্বাচন করতে পারছেন না মঞ্জুরুল মুন্সী।