|
আন্দোলনের সমন্বয়কদের সঙ্গে তার ডিজিটাল মাধ্যমে যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে
কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে নুরুল হককে ৪ লাখ টাকা দেন এক নেতা : ডিবিপ্রধান
মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হককে (নুর) এক নেতা ৪ লাখ টাকা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। আজ শনিবার রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিবিপ্রধান। তিনি বলেন, এই ৪ লাখ টাকা পরে কাকে দেওয়া হয়েছে এবং কীভাবে ও কী কাজে খরচ করা হয়েছে, তা জানানোর জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে ডিবি। হারুন অর রশীদ বলেন, ‘নুরকে আমরা রিমান্ডে নিয়েছিলাম। তার কাছ থেকে অনেক তথ্য পেয়েছি। সেই তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। নুর একটা কথা স্বীকার করেছেন। আন্দোলন চলাকালে একজন নেতা তাকে চার লাখ টাকা দিয়েছেন। আমরা সেই নেতাকেও নিয়ে এসেছি। তিনি চার লাখ টাকা নুরকে দিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন। কী জন্য সেই টাকা নুরকে দিয়েছেন, সেসব বিষয়ে ওই নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’ কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়কদের সঙ্গে নুরুল হকের ডিজিটাল মাধ্যমে যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে বলেও জানান হারুন অর রশীদ। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম এবং অপর দুই সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ ও আবু বাকের মজুমদারকে আমরা শুক্রবার দিবাগত রাতে নিয়ে এসেছি।’ ডিবিপ্রধান বলেন, ‘তারা (নাহিদ, আসিফ ও বারেক) বিভিন্ন জায়গায় নিরাপত্তাহীনতার কথা বলছিলেন। তাদের একজনের বাবাও নিরাপত্তাহীনতার কথা বলেছেন। আমরা মনে করি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে কেউ যদি কোথাও নিরাপত্তাহীনতার কথা বলে, আমাদের দায়িত্ব তাদের নিরাপত্তা দেওয়া। তাদের ক্ষেত্রে আমরা সেটাই করছি।’

গতকাল শুক্রবার পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হককে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এর আগে ২১ জুলাই তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। শুক্রবার (২৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাকিল আহম্মদ তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। জানা গেছে, এদিন রিমান্ড শেষে নুরকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ। অপরদিকে তার আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
Post Views: ০
|
|