Current Bangladesh Time
শনিবার এপ্রিল ১৮, ২০২৬ ৮:২২ পূর্বাহ্ণ
Latest News
প্রচ্ছদ  » স্লাইডার নিউজ » সুরের মহাকাশে নক্ষত্রপতন : কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে আর নেই 
Sunday April 12, 2026 , 9:11 pm
Print this E-mail this

১৯৮০ সালে বিখ্যাত সংগীত পরিচালক আর ডি বর্মণ সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন

সুরের মহাকাশে নক্ষত্রপতন : কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে আর নেই


মুক্তখবর বিনোদন ডেস্ক : ভারতীয় সংগীত জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে আর নেই। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে গত শনিবার তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন এই শিল্পী। শনিবার রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। রোববার দুপুরে তাঁর ছেলে আনন্দ ভোঁসলে এই বরেণ্য শিল্পীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। আগামীকাল সোমবার তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় গায়িকা আশা ভোঁসলে ১৯৩৩ সালে সংগীত অনুরাগী মঙ্গেশকর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ৯ বছর বয়স থেকেই পেশাদার গান গাওয়া শুরু করেন তিনি। ১৯৪৩ সালে চলচ্চিত্রে প্রথম গান রেকর্ড করার পর ১৯৫০-এর দশকেই বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করে নেন। বড় বোন লতা মঙ্গেশকরের ছায়ায় ঢাকা না পড়ে নিজস্ব গায়কী ঢঙে তিনি কয়েক দশক ধরে শ্রোতাদের মাতিয়ে রেখেছিলেন। শুরুতে চটুল বা ক্যাবারে ধাঁচের গানের জন্য তাঁকে ‘টাইপকাস্ট’ করা হলেও, পরবর্তীতে ‘উমরাও জান’-এর গজল গেয়ে তিনি নিজের বহুমুখী প্রতিভার প্রমাণ দেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি সাতবার ফিল্মফেয়ার সেরা নেপথ্য গায়িকার পুরস্কার এবং দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। ‘উমরাও জান’ ছবির ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’ এবং ‘ইজাজত’ ছবির ‘মেরা কুছ সামান’ গানের জন্য তিনি জাতীয় স্বীকৃতি লাভ করেন। আধুনিক সংগীত নিয়ে ২০২৩ সালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘সত্যি বলতে আমি এখনকার গান শুনি না। শেখার ও অনুশীলনের জন্য আমি ধ্রুপদী সংগীত বা ভিমসেন জোশীর গান শুনি। তবে মাঝেমধ্যে রাহাত ফতেহ আলী খান বা সুনিধি চৌহানের গান ভালো লাগে।’ আশা ভোঁসলের ব্যক্তিগত জীবন ছিল বেশ নাটকীয়। মাত্র ১৬ বছর বয়সে পরিবারের অমতে নিজের ব্যক্তিগত সচিব ৩১ বছর বয়সী গণপতরাও ভোঁসলেকে বিয়ে করেন তিনি। তবে শ্বশুরবাড়ির দুর্ব্যবহারের কারণে তিন সন্তানসহ ১৯৬০ সালে সেই সম্পর্ক ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে বিখ্যাত সংগীত পরিচালক রাহুল দেব বর্মণের (আর ডি বর্মণ) সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বর্মণ পরিবারের প্রবল আপত্তি থাকলেও তাঁদের দীর্ঘদিনের প্রেম পরিণয়ে রূপ পায়। ১৯৯৪ সালে আর ডি বর্মণের মৃত্যু পর্যন্ত তাঁরা একসাথেই ছিলেন। জীবনের শেষ বছরগুলোতে তাঁর নাতনি জেনাই ভোঁসলে ছিলেন এই সংগীত সম্রাজ্ঞীর ছায়াসঙ্গী। তাঁর প্রয়াণে ভারতীয় সংগীতের একটি স্বর্ণযুগের অবসান ঘটল।




Archives
Image
বরিশালে ঘন ঘন লোডশেডিং, বিপর্যস্ত জনজীবন
Image
গণতন্ত্র ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তি বা সমৃদ্ধি সম্ভব নয় : বরিশালে স্পিকার
Image
বরিশালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে বিসিসি ও ‘প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন’র সাথে আলোচনা সভা
Image
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন প্রশাসকের ফরিদপুর বর্জ্য শোধনাগার প‌রিদর্শন
Image
বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে নববর্ষ বরণ ও ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির উদ্বোধন