Current Bangladesh Time
শনিবার এপ্রিল ১৮, ২০২৬ ৮:২২ পূর্বাহ্ণ
Latest News
প্রচ্ছদ  » স্লাইডার নিউজ » বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে দুর্নীতির জাল : দুদকের অনুসন্ধানে ফেঁসে যাচ্ছেন ১০ কর্মকর্তা-কর্মচারী 
Sunday April 12, 2026 , 11:31 pm
Print this E-mail this

কর্মচারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক—কার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে দুর্নীতির জাল : দুদকের অনুসন্ধানে ফেঁসে যাচ্ছেন ১০ কর্মকর্তা-কর্মচারী


মামুনুর রশীদ নোমানী, অতিথি প্রতিবেদক : দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর অনুসন্ধানে বড় ধরনের দুর্নীতির অভিযোগে ফেঁসে যাচ্ছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)-এর জনসংযোগ কর্মকর্তা আহসান উদ্দিন রোমেলসহ অন্তত ১০ কর্মকর্তা ও কর্মচারী। টেন্ডার কারসাজি, জাল-জালিয়াতি, অনিয়ম এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন—স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান, যার ওপর নির্ভর করে নগরবাসীর দৈনন্দিন নাগরিক সেবা। কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠানই যদি দুর্নীতি, অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে, তবে তা শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়—এটি জনআস্থার গভীর সংকটের ইঙ্গিত দেয়।

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর এক অনুসন্ধানে  বিসিসির ১৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে প্রায় ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে দুদক। এছাড়া জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তালিকায় রয়েছেন প্রায় ৬ জন। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানের রিপোর্ট অনুমোদন হলে শিঘ্রই মামলা হতে পারে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। চার্জশিট হলেই বিসিসির চাকুরী থেকে বরখাস্ত হবেন তারা।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে এ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন দায়িত্ব গ্রহনের পরই সিটি কর্পোরেশনকে দুর্নীতিমুক্ত করার ঘোষনা দিয়েছেন।তিনি বিসিসিতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করার জন্য সোচ্চার রয়েছেন।ফলে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা রয়েছেন সতর্ক অবস্থানে।

দুদকের এই অনুসন্ধান শুধু একটি বিচ্ছিন্ন দুর্নীতির ঘটনা নয়; বরং এটি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা প্রশাসনিক দুর্বলতা, রাজনৈতিক প্রভাব, এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতার অভাবের একটি প্রতিচ্ছবি।

অভিযোগের স্তর জমেছিল বহুদিন

বিসিসিকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। নগর উন্নয়ন প্রকল্প, টেন্ডার প্রক্রিয়া, সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা এবং সরঞ্জাম ক্রয়ে অনিয়ম নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে বহুদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল। অভিযোগগুলো ধীরে ধীরে এতটাই বিস্তৃত হয়ে ওঠে যে শেষ পর্যন্ত বিষয়টি নজরে আসে দুদকের।

দুদকের বরিশাল সমন্বিত কার্যালয় গত কয়েক মাস ধরে একটি বিস্তৃত অনুসন্ধান পরিচালনা করে। অনুসন্ধানে উঠে আসে—

  • উন্নয়নকাজের দরপত্রে অনিয়ম
  • জাল নথি ব্যবহার করে সম্পদ বণ্টন
  • সরকারি অর্থের অপচয়
  • ব্যক্তিগত সম্পদ অর্জনে ক্ষমতার অপব্যবহার

এই অভিযোগগুলোর ভিত্তিতে ১৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে তলব করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা ও সম্পদের হিসাব চাওয়া হয়।

তলব ও জিজ্ঞাসাবাদ: আতঙ্কের শুরু

২০২৫ সালের ৯ ও ১০ জুলাই অভিযুক্তদের দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়। ধাপে ধাপে তারা হাজির হয়ে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন এবং সম্পদের বিবরণ দাখিল করেন।

তবে অনুসন্ধান সূত্র বলছে, অনেক ক্ষেত্রেই তাদের প্রদত্ত তথ্য ও বাস্তব অবস্থার মধ্যে অসামঞ্জস্য পাওয়া গেছে। বিশেষ করে আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং সম্পদের উৎস নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।

এই তলবের পর থেকেই বিসিসির অভ্যন্তরে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক—কার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়তে থাকে।

কারা আছেন অভিযোগের তালিকায়

দুদকের অনুসন্ধানে যাদের নাম উঠে এসেছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী। তালিকায় উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন—

  • তৎকালীন সচিব মাসুমা আক্তার
  • প্রধান প্রকৌশলী (সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) হুমায়ুন কবির
  • সাবেক হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মশিউর রহমান
  • জনসংযোগ কর্মকর্তা আহসান উদ্দিন রোমেল
  • সম্পত্তি কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান শাকিল
  • উপসহকারী প্রকৌশলী এইচ এম কামাল
  • সাইফুল ইসলাম মুরাদ
  • সার্ভেয়ার সাইদুর রহমান
  • প্ল্যান শাখার সহকারী খায়রুল হাসান
  • কম্পিউটার অপারেটর ফিরোজ হোসেনসহ ১৮ জন।

কী ধরনের অনিয়ম ধরা পড়েছে

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে বহুমাত্রিক দুর্নীতির চিত্র। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো—

১. টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কারসাজি

উন্নয়ন প্রকল্পের দরপত্রে নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের সুবিধা দিতে নিয়ম ভাঙার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের পরিবর্তে পূর্বনির্ধারিতভাবে কাজ বণ্টনের প্রমাণ মিলেছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

২. সরকারি সম্পদ বণ্টনে অনিয়ম

বিসিসির সম্পত্তি বরাদ্দে স্বজনপ্রীতি এবং ঘুষের অভিযোগ রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে জাল নথি ব্যবহার করে সম্পত্তি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ।

৩. ক্রয় প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি

ল্যাপটপ, ড্রোন, আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনায় অতিরিক্ত মূল্য দেখানো এবং নিম্নমানের পণ্য সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে।

৪. উৎসব ব্যয়ে অস্বচ্ছতা

ঈদ উপলক্ষে মেয়রের শুভেচ্ছা ফেস্টুন স্থাপনে প্রায় ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ের হিসাব চাওয়া হয়েছে। এই ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

৫. পুনঃনিয়োগে অনিয়ম

পূর্বে চাকরিচ্যুত কিছু ব্যক্তি কীভাবে পুনরায় নিয়োগ পেয়েছেন—এই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় এসেছে।

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ: বড় ধরনের অভিযোগ

অনুসন্ধানে অন্তত ৬ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন আইনের অধীনে এটি একটি গুরুতর অপরাধ। যদি প্রমাণিত হয় যে কোনো ব্যক্তি তার বৈধ আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জন করেছেন, তাহলে তা সরাসরি আইনের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।

আইনি দিক: কী হতে পারে পরিণতি

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মামলাগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে অনুসন্ধান রিপোর্ট অনুমোদন এবং পরবর্তী চার্জশিটের ওপর।

বরিশাল বারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহে আলম জানিয়েছেন—

কোন ব্যক্তি অসাধু উপায়ে এমন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেন যা তার বৈধ আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ তাহলে তিনি দুদক আইনের ২৭ ধারা লঙন করেছেন।অভিযোগ প্রমানিত হলে সর্বনিম্ন ৩ বছর থেকে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে। এছাড়া ওই অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে ।

তিনি বলেন,বিসিসির কারো বিরুদ্ধে জাল-জালিয়াতি প্রমান হলে তিনি ধারা ৪০৯ লঙন করেছেন। এটি দুদকের তদন্তাধীন সবচেয়ে গুরুতর অপরাধগুলোর একটি। তিনি বলেন, দুর্নীতির মামলায় চার্জশিট (অভিযোগপত্র) আদালতে গৃহীত হলে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করার বিধান রয়েছে। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালার আলোকে এবং সাময়িক বরখাস্ত আইনের ধারা ৩৯(২) অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক অভিযোগপত্র (চার্জশিট ) গৃহীত হলে কর্তৃপক্ষ তাকে ওই তারিখ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করতে পারে । দুর্নীতির মামলার ক্ষেত্রে এটি সাধারণত আবশ্যিকভাবে পালন করা হয়।

এছাড়া চার্জশিট হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে চূড়ান্তভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত বা অপসারণ করা হতে পারে। তিনি আরো বলেন,কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক ১ বছর বা তার বেশি মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে তিনি রায় প্রদানের তারিখ থেকে চাকরি থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত হবেন ।

চার্জশিট ও চাকরি: কী বলছে আইন

সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ অনুযায়ী—

  • কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট গৃহীত হলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা যেতে পারে,
  • দুর্নীতির মামলায় এটি সাধারণত বাধ্যতামূলকভাবে কার্যকর করা হয়।
  • পরবর্তীতে বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে স্থায়ীভাবে চাকরি থেকে অপসারণ করা হতে পারে।

এছাড়া, যদি কোনো কর্মকর্তা ১ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তাহলে রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই তার চাকরি বাতিল হয়ে যাবে।

দুদকের অবস্থান: কঠোর বার্তা

অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মো. আবুল কাইউম হাওলাদার জানিয়েছেন, তিনি তার অনুসন্ধান সম্পন্ন করে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন। যদিও তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন, তবে দুদকের একটি সূত্র জানিয়েছে—
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে, তারা কোনোভাবেই রেহাই পাবেন না। এতে স্পষ্ট যে, দুদক এই মামলাকে একটি উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

 অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা

অনুসন্ধান শেষ হওয়ার পর থেকে বিসিসির অভ্যন্তরে এক ধরনের চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।

  • দুদকের অনুসন্ধানে যাদের নাম উঠে এসেছে সে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক
  • কার্যক্রমে ধীরগতি
  • সিদ্ধান্ত গ্রহণে অনিশ্চয়তা

একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অনেকেই ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং কেউ কেউ আইনি প্রস্তুতিও শুরু করেছেন।

স্থানীয় সরকারে দুর্নীতির চিত্র

এই ঘটনা শুধু বরিশালেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় একই ধরনের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন—

  • টেন্ডার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব
  • রাজনৈতিক প্রভাব
  • জবাবদিহিতার দুর্বলতা

এসব কারণেই স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্নীতির ঝুঁকিতে থাকে।

গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, রিপোর্ট অনুমোদন

বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো দুদকের প্রধান কার্যালয়ে রিপোর্ট অনুমোদন। এরপর—

মামলা দায়ের

চার্জশিট প্রস্তুত

আদালতে বিচার প্রক্রিয়া শুরু

এই পুরো প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ হলেও, এটি বিসিসির ভবিষ্যৎ প্রশাসনিক কাঠামোকে প্রভাবিত করতে পারে।

 

একটি পরীক্ষার মুখে বিসিসি

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের এই ঘটনা একটি বড় প্রশ্ন তুলে ধরেছে—
জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠান কতটা স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক?

দুদকের এই অনুসন্ধান যদি শেষ পর্যন্ত কার্যকর বিচার নিশ্চিত করতে পারে, তবে এটি শুধু বিসিসি নয়, দেশের অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও একটি শক্ত বার্তা হবে।

এখন নজর সবার—রিপোর্ট অনুমোদনের পর কী পদক্ষেপ নেয়া হয় এবং অভিযুক্তরা সত্যিই আইনের আওতায় আসে কিনা।




Archives
Image
বরিশালে ঘন ঘন লোডশেডিং, বিপর্যস্ত জনজীবন
Image
গণতন্ত্র ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তি বা সমৃদ্ধি সম্ভব নয় : বরিশালে স্পিকার
Image
বরিশালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে বিসিসি ও ‘প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন’র সাথে আলোচনা সভা
Image
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন প্রশাসকের ফরিদপুর বর্জ্য শোধনাগার প‌রিদর্শন
Image
বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে নববর্ষ বরণ ও ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির উদ্বোধন