Current Bangladesh Time
বুধবার মার্চ ১১, ২০২৬ ৭:৪১ পূর্বাহ্ণ
Latest News
প্রচ্ছদ  » স্লাইডার নিউজ » আগৈলঝাড়ায় পাউবো’র প্রকৌশলীকে টাকা না দেয়ায় পুলিশী দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ 
Monday January 22, 2018 , 7:41 pm
Print this E-mail this

নির্বাহী প্রকৌশলী বর্তমানে ঢাকায় রয়েছেন, ফিরে এসে সিদ্ধান্ত দিলেই মামলা করবেন বলেও জানান তিনি

আগৈলঝাড়ায় পাউবো’র প্রকৌশলীকে টাকা না দেয়ায় পুলিশী দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ


মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহাবুবুর রহমানের চাহিদানুযায়ি দুই লাখ টাকা না দেয়ায় পুলিশ নিয়ে হয়রানীর অভিযোগ করেছেন এক ভুক্তভোগী। আগৈলঝাড়া উপজেলার পশ্চিম বাগধা এলাকার আব্দুর রশিদ খানের ছেলে এমদাদুল হকের লিখিত অভিযোগে সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাগধা গ্রামের রানা গাইন ও তার শরীকদের কাছ থেকে ২০১৫ সালে ১৯০৯ নং দলিল মুলে এসএ খতিয়ান নং-৩৮, এসএদাগ নং-৬১৩৭ ও ৬১৬৭ থেকে ৫৮ শতক জায়গা ক্রয় করেন রশিদ খানের ছেলে মনির খান। বর্তমান মাঠ জরিপে তারা ৬১৩৭ দাগে ৪৩ শতক জায়গা রের্কড পেয়েছেন। কিছু দিন যাবত তাদের রেকর্ডিও জায়গা তারা নদী থেকে বালু উত্তোলন করে ভরাট করছিলেন। ভরাট কাজ দেখে বরিশাল পাউবোর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহাবুবুর রহমান ১৮ জানুযারি ভরাটকৃত জমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের দাবি করে তাদের কাছে বালু ভরাট কাজের জন্য দুই লাখ টাকা দাবি করেন। ক্ষতিকগ্রস্থরা জায়গার মালিকানার পক্ষে স্থানীয় ইউপি সদস্য মিন্টু মিয়াকে নিয়ে ওই কর্মকর্তার কাছে সকল কাজগপত্র দেখাতে চাইলেও প্রকৌশলী মাহাবুবুর রহমান কোন কাগজপত্র না দেখে ইউপি সদস্যর সাথে দুর্ব্যবহার করেন। প্রকৌশলীর মাহাবুরর রহমানের চাহিদানুয়ায়ি টাকা না দেয়ায় তাদের হয়রানী করার উদ্যেশে ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার পুলিশ দিয়ে তাদের ভরাট কাজ বন্ধ করিয়ে মামলার হুমকি দেয়। এমদাদুল অভিযোগে আরও বলেন, প্রকৌশলী মাহাবুবুর রহমান শুধু তাদেরই নয়, স্থানীয় মো. জামাল সরদার, ফজলে সরদার, মোতালেব সরদার, মো. রতন মিয়া, ধলু খান, দেলোয়ার খান, ফারুক খান, চুন্নু, সেকেন্দার মিয়া, ইদ্রিস সরদার, তাজেল সরদারসহ অনেকের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে নিজে লাভবান হয়ে অবৈধভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় স্থায়ী ঘর তুলে বসবাসের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এ ব্যাপারে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মাহাবুবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বিরোধীয় জায়গাটি অবশ্যই পানি উন্নয়ন বোর্ডের। তাদের কাছে দুই লাখ টাকা দাবি করার কোন প্রশ্নই ওঠেনা। উল্টো তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, টাকা যদি চাওয়া হত তাহলে কাজ বন্ধের জন্য পুলিশ ডাকতেন না তারা। তাছাড়া ওই সময় অনেক কর্মকর্তারাও তার সাথে ছিলেন। তারাও বিষয়টি জানতেন। সকল বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীকে অবহিত করা হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী বর্তমানে ঢাকায় রয়েছেন। ফিরে এসে সিদ্ধান্ত দিলেই মামলা করবেন বলেও জানান তিনি।




Archives
Image
চাঁদাবাজির অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
Image
ঈদের পর বরিশালে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা আয়োজনের প্রস্তুতি
Image
বরিশালে গেজেট জারির পরও রূপাতলী হাউজিং এস্টেটের প্লট-ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি বন্ধ
Image
সময়মতো অফিসে না আসায় বরিশালের দুই চিকিৎসককে শোকজ
Image
মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে : রহমাতুল্লাহ