|
তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ পুলিশ গভীরভাবে শোকাহত, দেশমাতৃকার সেবায় তাঁর এমন আত্মত্যাগে বাংলাদেশ পুলিশ গর্বিত
জসিমকে হারানোর শোককে শক্তিতে রূপান্তর করবে পুলিশ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ
মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : করোনা যুদ্ধে সাধারণ মানুষের সুরক্ষার দিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে নিজের অজান্তেই করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা। করোনায় আক্রান্ত পুলিশ বাহিনীর সদস্য হিসেবে মঙ্গলবার রাতে প্রথম মারা গেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের কনস্টেবল জসিম উদ্দিন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। কনস্টেবল জসিমকে হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করে পুলিশ এগিয়ে যাবে বলেও উল্লেখ করেছেন আইজিপি। পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া) সোহেল রানা এক বার্তায় বলেন, আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি, করোনা মোকাবিলায় মাঠ পর্যায়ের প্রধান সম্মুখযোদ্ধা বাংলাদেশ পুলিশের এক গর্বিত সদস্য কনস্টেবল মো: জসিম উদ্দিন (৪০) করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। চলমান করোনাযুদ্ধে দেশের জনগণকে সুরক্ষিত রাখতে গিয়ে মো: জসিম উদ্দিনের মৃত্যুতে বাংলাদেশ পুলিশ গভীরভাবে শোকাহত। একই সাথে দেশমাতৃকার সেবায় তাঁর এমন আত্মত্যাগে বাংলাদেশ পুলিশ গর্বিত। তাঁকে হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ পুলিশ।

করোনাযুদ্ধে প্রথম আত্মোৎসর্গকারী জসিম উদ্দিন ঢাকা মহানগর পুলিশের ওয়ারী বিভাগের একটি পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। করোনাকালে অর্পিত দায়িত্ব পালনকালে হঠাৎ করে জ্বরে আক্রান্ত হলে গত ২৫ এপ্রিল তাঁর নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআরে করোনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। এরপর থেকেই তিনি কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। কিন্তু গতকাল মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় হঠাৎ করেই বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক রাত ১০টায় জসিম উদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন। আজ ২৯ এপ্রিল সকালে আইইডিসিআর থেকে জানানো হয়, জসিম উদ্দিন করোনা পজেটিভ ছিলেন অর্থাৎ তিনি কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছিলেন। সোহেল রানা বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের ব্যবস্থাপনায় জসিম উদ্দিনের মরদেহ গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায় পাঠানো হবে। সেখানেই ধর্মীয়রীতি মেনে তাকে দাফন করা হবে। তিনি স্ত্রীসহ দুই মেয়ে ও এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। করোনা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনের পরিবারের পাশে থাকবে বাংলাদেশ পুলিশ। আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি, করোনা মোকাবেলায় মাঠ পর্যায়ের প্রধান সম্মুখ যোদ্ধা বাংলাদেশ পুলিশের এক গর্বিত সদস্য কনস্টেবল মো: জসিম উদ্দিন (৪০) করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। চলমান করোনাযুদ্ধে দেশের সম্মানিত জনগণকে সুরক্ষিত রাখতে গিয়ে মোঃ জসিম উদ্দিনের মৃত্যুতে বাংলাদেশ পুলিশ গভীরভাবে শোকাহত। একই সাথে দেশমাতৃকার সেবায় তাঁর এমন আত্মত্যাগে বাংলাদেশ পুলিশ গর্বিত। তাঁকে হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ পুলিশ। করোনাযুদ্ধে আত্মউৎসর্গকারী মো: জসিম উদ্দিন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ওয়ারী বিভাগের একটি পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। করোনাকালে অর্পিত দায়িত্ব পালনকালে হঠাৎ করে জ্বরে আক্রান্ত হলে গত ২৫ এপ্রিল ২০২০ খ্রিঃ তাঁর নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর-এ করোনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। এরপর থেকেই তিনি কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। কিন্তু গতকাল ২৮ এপ্রিল ২০২০ খ্রিঃ মঙ্গলবার রাতে কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় হঠাৎ করেই বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক রাত ১০টায় জসিম উদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন। আজ ২৯ এপ্রিল ২০২০ খ্রিঃ সকালে আইইডিসিআর থেকে জানানো হয়, মো: জসিম উদ্দিন করোনা পজেটিভ ছিলেন অর্থাৎ তিনি কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছিলেন।বাংলাদেশ পুলিশের ব্যবস্থাপনায় মো: জসিম উদ্দিনের মরদেহ গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায় পাঠানো হবে। সেখানেই ধর্মীয়রীতি মেনে তাঁকে দাফন করা হবে। তিনি স্ত্রীসহ দুই মেয়ে এক ছেলেসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। করোনা যুদ্ধে আত্মোউৎসর্গকারী কনস্টেবল মো: জসিম উদ্দিনের পরিবারের পাশে সর্বোতভাবে থাকবে বাংলাদেশ পুলিশ।
Post Views: ০
|
|