|
বাংলাদেশ রাস্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ থেকে পাশকৃত ২৫-৩০ হাজার বেকার মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে
মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট নিয়োগের দাবিতে বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন
মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : ২০ হাজার মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট নিয়োগের দাবিতে বরগুনা প্রেসক্লাবে বুধবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করেছে। বরগুনা জেলা প্রাইভেট মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট এ্যাসোসিয়েশন এ সংবাদ সম্মেলন করে। লিখিত বক্তবে সংগঠনের সভাপতি দীপক মজুমদার বলেন, আমরা বাংলাদেশ রাস্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ থেকে পাশকৃত ২৫-৩০ হাজার বেকার মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট মানবেতর জীবন কাটাচ্ছি। ২০০৮ সালের পরে ১২ বছরে আমাদের কোন নিয়োগ দেয়া হয়নি। ২০১৩ সালে নিয়োগ বিজ্ঞতির আলোকে যারা আবেদন করেছিলেন তাদের প্রায় ৯৬% টেকনোলজিষ্টদের সরকারি চাকুরীতে প্রবেশের বয়সসীমা শেষ হয়ে গেছে। যেহেতু প্রশাসনিক জটিলতা ও মামলাজনিত কারণে তাদের বয়স শেষ হয়ে গেছে তাই তাদের বয়স প্রমার্জনা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী আদেশে সরাসরী অথবা এডহক ভিত্তিতে ২০১৩ সালের অবেদনকৃতসহ কমপক্ষে ২০,০০০ মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।আপনারা জানেন যে, করোনা মহামারীতে নমুনা সংগ্রহ এবং নমুনা পরীক্ষা করা প্রয়োজন দক্ষ মেডিকেল টেকনোলজিষ্টের মাধ্যমে। কিন্তু টেকনোলজিষ্ট স্বল্পতার কারণে অদক্ষ লোক দিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। সম্প্রতি করোনা মোকাবেলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী শেখ হাসিনা ৩০০০ মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট নিয়োগ দেয়ার নির্বাহী আদেশ দিয়েছেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় সেখানে আমাদের মাত্র ১২০০ পদ সৃজন করা হয়েছে যা অত্যন্ত অপ্রতুল। আর মেডিকেল টেকনিশিয়ান নামক ১৮০০ নতুন পদ সৃজন করা হয়েছে যা ইতিমধ্যে ১৯৮৯ সালে বিলুপ্ত ঘোষিত করা হয়েছে। তাই আমরা মেডিকেল টেকনিশিয়ান পদ বাতিল আবেদন জানাচ্ছি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদন্ড অনুযায়ী একজন ডাক্তারের বিপরীতে পাঁচজন মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট থাকার কথা। সারাদেশে ডাক্তার আছেন ৩০,০০০ আর মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট আছেন মাত্র ৫১৬৫ জন। স্বাধীনতার পরে আর কোন মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট পদ সৃষ্টি করা হয়নি। টেকনোলজিষ্ট স্বল্পতার কারণে অযোগ্য ব্যক্তিদের দিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে যার ফলে ফলাফল ভুল হচ্ছে যা আপনারা ইতিমধ্যে মিডিয়ার মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।তাই এই অবস্থায় ২০১৩ সালে আবেদনকারীসহ কমপক্ষে ২০,০০০ মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট নিয়োগ দেয়ার দাবি জানাচ্ছি। যেখানে প্রায় ২৫-৩০ হাজার বেকার মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে সেখানে ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ১৮৩ জন কথিত স্বেচ্ছাসেবী নামক অযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়ার চেষ্টা করছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী আদেশের অপেক্ষায় আছি। আমরা নির্দেশ পেলে করোনা মোকাবেলায় ঝাপিয়ে পরতে চাই। এ সময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন, সাধারণ সম্পাদক আবুল বসার, সহ-সভাপতি পলাশ কুমার হাওলাদার, সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন শিবলী, সহ-সভাপতি হান্নান মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসরাত জাহান মিনাক্ষী।
Post Views: ০
|
|