Current Bangladesh Time
শুক্রবার আগস্ট ৭, ২০২৬ ৬:১৯ অপরাহ্ণ
Latest News
প্রচ্ছদ  » স্লাইডার নিউজ » প্রচলিত ‘নামতা’ পাঠনে ও শিখনে অসংগতি প্রসঙ্গে-মো: সুরুযযামান 
Saturday March 9, 2019 , 7:50 pm
Print this E-mail this

প্রচলিত ‘নামতা’ পাঠনে ও শিখনে অসংগতি প্রসঙ্গে-মো: সুরুযযামান


আমরা বাংলাদেশী জনগোষ্ঠী আমাদের পূর্ব পুরুষের কাছ থেকে গতানুগতিকভাবে যে ধারায় নামতা শিখে ও পড়ে এসেছি যা আমার কাছে অসংগতি মনে হচ্ছে। এ বিষয়ে আমার কিছু চিন্তা ভাবনা সবিস্তারে ব্যাখ্যা দিচ্ছি।

আমরা যে প্রচলিত নামতা পড়ে থাকি তা আগে কথায় লিখে দিচ্ছি। যেমন: ১ ঘরের নামতা দিয়ে শুরু করছিঃ-

এক একে এক, দুই একে দুই, তিন একে তিন, চার একে চার, পাঁচ একে পাঁচ, ছয় একে ছয়, সাত একে সাত, আট একে আট, নয় একে নয়, দশ একে দশ ইত্যাদি।

এভাবেই আমরা পড়ে এসেছি। ২ ঘরের, ৪ ঘরের, পাঁচ ঘরের...............যতসব। কিন্তু ৩ ঘরের নামতা পঠনে ঐগুলো থেকে আলাদা। দেখুন ৩ ঘরের নামতাঃ- তিন একে তিন, তিন দু’গুনে ছয়, তিন তেরেকা নয়, তিন চারে বারো, তিন পাঁচা পনেরো, তিন ছয় আঠারো, তিন সাতা একুশ, তিন আটা চব্বিশ, তিন নয় সাতাশ, তিন দশে ত্রিশ......এভাবেই পড়া হয়। এখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে তিন কথাটি সর্বক্ষেত্রেই সবার আগে বলতে হচ্ছে। কিন্তু তিন ঘরের নামতা ছাড়া অন্যগুলোর বেলায় তিন ঘরের নামতার সাথে অনেকাংশে মিল নেই। এটাই আমার কাছে অসংগতি মনে হচ্ছে। নামতার পঠন ধারা এক এবং অভিন্ন হবে, যেমনটি তিন ঘরের নামতার পঠনে পাওয়া যায়। 

এখন দেখুন আমার দৃষ্টিকোণ থেকে অভিন্ন ধারায় নামতা পঠন ও শিখন পদ্ধতিঃ

এক ঘরের নামতা কথায়ঃ এক এক বার-এক, এক দুই বার-দুই, এক তিন বার-তিন, এক চার বার-চার, এক পাঁচ বার-পাঁচ, এক ছয় বার-ছয়, এক সাত বার-সাত, এক আট বার-আট, এক নয় বার-নয়, এক দশ বার-দশ...............চলমান। অথবা, বিকল্পভাবেও পড়া যেতে পারে, যেমনঃ এক এক গুনে এক, এক দুই গুনে দুই, এক তিন গুনে তিন, এক চার গুনে চার...........চলমান।
এভাবেই বাকী সবগুলো একই ধারায় পড়তে এবং শিখতে হবে। তাহলেই ধারা এক ও অভিন্ন থাকবে, তাতে কোন অসংগতি থাকবেনা। 

একটি অংকের সমাধান দিয়ে আমার দৃষ্টিকোণ থেকে যে অসংগতি তা প্রমাণ করে দিচ্ছিঃ-

ক) ৪
৭ কথায় বলতে হয় চার সাতা আটাশ।
২৮

খ) ৭
৪ কথায় বলতে হয় চার সাতা আটাশ।
২৮

উভয়ক্ষেত্রে ফল একই কিন্তু কথা এক না। যেমনঃ ক এর বেলায় ৪ কে ৭ দ্বারা গুন মানে ৪ আছে ৭ বার। খ এর বেলায় ৭ কে ৪ দ্বারা গুন মানে ৭ আছে ৪ বার। তাহলে উভয় ক্ষেত্রে কি একই হলো? নিশ্চয়ই না। এটাই হলো আসল অসংগতি। এতক্ষণ আমি যা বলেছি তা আমার ব্যক্তিগত মতামত এবং অভিজ্ঞতা থেকে প্রাপ্ত। শতভাগ শুদ্ধ হবে তা বলছি না। পঠনে আমার কানে শ্রুতিকটু মনে হয়। তাই আমার কথা আমি বলেছি মাত্র। আমার মতামত সমাজ তথা সরকার গ্রহণ করবে কি করবেনা এটা তাঁদের দায়িত্ব।
আমার ফেসবুক বন্ধুদের অনুরোধ করছি পাঠান্তে কমেন্ট করবে ও শেয়ার করবে তাতে করে অনেক পাঠক পড়ার এবং জানার সুযোগ পাবে।

মো: সুরুযযামান,
সাবেক সহকারী শিক্ষক, বরিশাল জিলা স্কুল ও
সহকারী শিক্ষক (অব:), আই.ই.টি. সহকারী উচ্চ বিদ্যালয়, নারায়ণগঞ্জ।
e-mail : md.suruzzaman017@gmail.com




Archives

Image
বরিশালে বাল্কহেডের ধাক্কায় সেতু ধস, চলাচল বন্ধ
Image
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া
Image
অসংখ্য শহিদের রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিস্ট সরকারকে হটানো সম্ভব হয়েছে : তথ্যমন্ত্রী
Image
বরিশালের শিক্ষা অফিসে উপ-পরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়
Image
বরিশালের বাকেরগঞ্জে বোমা সদৃশ বস্তুর রহস্যজনক বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩