জাতীয় পার্টির বাকেরগঞ্জ উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক বসির আহমেদ সবুজ
বাকেরগঞ্জে জাপা নেতার বিএনপিতে যোগদান নিয়ে তোলপাড়, নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ
মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : স্বৈরাচার আওয়মাী লীগ সরকারের অন্যতম সহযোগী দল জাতীয় পার্টির নেতা বিএনপিতে যোগদান করায় তৃণমূল বিএনপি ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি)বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাঁড়িয়াল ইউনিয়নে এই বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্ম দিয়েছেন বরিশাল-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খান। ওই নেতা হলেন জাতীয় পার্টির বাকেরগঞ্জ উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক বসির আহমেদ সবুজ। গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে আতাত করে কামিয়েছেন শতকোটি টাকা। এখন নিজেকে নিরাপদ রাখতে বিএনপিতে যোগদান করেছে বসির আহমেদ সবুজ এমনটাই অভিযোগ নেতাকর্মীদের। শনিবার বিকেলে ইউনিয়নের কামারখালি কলেজ মাঠে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় আবুল হোসেন খানের হাতে ধানের শীষের প্রতীকী ও ফুল দিয়ে যোগদান করেন জাতীয় পার্টি নেতা বসির আহমেদ সবুজ। তার এই যোগদানের পরেই স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ইউনিয়নের কাজলা কাঠি গ্রামের বাসিন্দা মোস্তাফিজ হাওলাদার হাওলাদার বলেন, বিগত ১৭ বছর দাঁড়িয়াল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদ হাওলাদার ও এই বসির আহমেদ সবুজ বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর দমন-পীড়ন চালিয়েছে। যে লোক বিএনপি নেতাকর্মীদের নামের তালিকা করে রাজনৈতিক মামলায় জড়িয়ে দিতো সে এখন যদি হয় বিএনপির সদস্য। এটা মানতে কষ্ট হচ্ছে দলের দুর্দিনের নেতাকর্মীদের। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,বসির আহমেদ সবুজ হলেন বাকেরগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য রুহুল আমিন হাওলাদার ও রত্না আমিনের পারিবারিক সদস্য। গত ১৭ বছরে দাঁড়িয়াল ইউনিয়ন, বাকেরগঞ্জ উপজেলা ও বরিশাল আদালত চত্বরে রুহুল আমিন হাওলাদারের ক্ষমতায় বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর দমন-নিপীড়ন চালিয়েছেন তিনি। এমনকি রুহুল আমিন হাওলাদারের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে টিআর, কাবিখা, কাবিটা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন পদে টাকার বিনিময়ে নিয়োগ বাণিজ্য করতেন এই বসির আহমেদ সবুজ। গুঞ্জন রয়েছে-আবুল হোসেন খানকে বিপুল পরিমাণ টাকা দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেছে বসির আহমেদ সবুজ। এরকম একজন ব্যক্তি বিএনপিতে যোগদান করায় দলের ভোট কমবে বলে দাবি স্থানীয়দের। এ বিষয়ে জানতে আবুল হোসেন খানের মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল দিলেও রিসিভ করেননি তিনি। আর দাঁড়িয়াল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ মাসুদ হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক মনির হাজ্বী কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।