Current Bangladesh Time
শুক্রবার ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
Latest News
প্রচ্ছদ  » স্লাইডার নিউজ » বিসিসি”র প্রশাসক পদে আলোচনায় আলাল, আবু নাসের ও শিরিন 
Thursday February 26, 2026 , 5:21 pm
Print this E-mail this

দলের দুর্দিনে রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা নেতাকে দায়িত্ব অর্পণ করা হোক, প্রত্যাশা বরিশালবাসীর

বিসিসি”র প্রশাসক পদে আলোচনায় আলাল, আবু নাসের ও শিরিন


মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : দেশের ছয়টি সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হলেও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) প্রশাসক এখনো নিয়োগ দেওয়া হয়নি। খুব শিগগিরই বিসিসির প্রশাসকের নাম ঘোষণা করা হতে পারে বলে বিএনপির নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। তবে কে হবেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক?- এ নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিক মহলে চলছে নানান আলোচনা। এরই মধ্যে ফেসবুক ও স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতে একাধিক ব্যক্তিকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এসব আলোচনায় এগিয়ে রয়েছেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বিলকিস জাহান শিরিনের নাম। এছাড়াও বিসিসির প্রশাসক হতে আরও বেশ কিছু বিএনপি নেতাদের নাম উঠেছে আলোচনায়। যাদের নাম উঠে আসছে তারা হলেন-বিএনপির নির্বাহী সদস্য এবায়দুল হক চান, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজামান খান ফারুক, সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার, জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহিন, নগর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মীর জাহিদুল কবির জাহিদ এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার মো: শওকত আলীকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। পরবর্তী সময়ে দায়িত্ব পান বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ রায়হান কাওছার। তবে গত ডিসেম্বরে রায়হান কাওছার বিদায় নিলে রিসোর্টের নামে জমি ক্রয়, নিয়োগ ও পদোন্নতি-বাণিজ্য, স্টল ও প্ল্যান দেওয়ার নামে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মাহফুজুর রহমান বিসিসির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখনো মেয়র নির্বাচন না হওয়ায় বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা প্রশাসক হতে নতুন করে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। চলছে লবিং-তদবির। সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের রাজনৈতিক জীবনের শুরু কলেজের ছাত্র থাকাকালে। ১৯৭৮ সালে তিনি বরিশাল জেলা যুবদলে যোগদান করে ধীরে ধীরে একপর্যায়ে কেন্দ্রীয় সভাপতিও হন। বর্তমানে তিনি বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা।তৃণমূল থেকে রাজনীতি শুরু করে এখন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ। আর বিলকিস জাহান শিরিন ঐতিহ্যবাহী বিএম কলেজ ছাত্র সংসদের এজিএস ছিলেন। তিনি একাধারে মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বর্তমানে দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল)। চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে আমার কথা ব্যাপক আলোচনায় আসছে। কিন্তু আমি অফিসিয়ালি এখনো কিছু জানি না। বরিশালের মানুষ আমাকে ভালোবাসে এবং চায়। তাই অনেক কিছু প্রত্যাশা করেন। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কান্ডারীবিহীন বরিশাল বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত করতে রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল সদর আসনে প্রার্থী হয়েও দলের সিদ্ধান্তে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে মূল ভূমিকা পালন করেছি। যে কারণে ত্যাগী নেতা হিসেবে আমাকে এ পদটি দেওয়ার জন্য দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে জোর দাবি করছেন বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নিয়ে দল কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। অবশ্যই ত্যাগীদেরই দায়িত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী। আলাল ভাইয়ের নামটা আসছে, কারণ তাকে কোথাও দেওয়া হয়নি। আমার কথাও আলোচনা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্ব কে পাচ্ছেন?-সেটি এখন আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা। তবে গুরুত্বপূর্ণ এ পদে দলের দুর্দিনে বরিশালের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা নেতাকে দায়িত্ব অর্পণ করা হবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন বরিশালবাসী।




Archives
Image
বরিশাল–ঢাকা মহাসড়কে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১
Image
বরিশালে নোংরা পরিবেশে খাবার তৈরির অপরাধে চার প্রতিষ্ঠিানকে জরিমানা
Image
নারী কেলেঙ্কারিতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তার পিএ শহিদুল আটক
Image
বিসিসি”র প্রশাসক পদে আলোচনায় আলাল, আবু নাসের ও শিরিন
Image
মব ‘আতঙ্কে’ সরকারি বাসভবন ছাড়তে ‘অনীহা’ সাবেক উপদেষ্টাদের