বরগুনার বেতাগীতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন
মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : বরগুনার বেতাগীতে নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম। শনিবার (১৫ জুন) বিকালে বেতাগীর বিষখালী নদীর ভাঙন কবলিত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত শহর রক্ষাবাঁধ ও বুড়ামজুমদার ইউনিয়নের বদনীখালী, কালিকাবাড়ি বন্দর পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম নদী ভাঙন রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন। প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শনে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমন, পানিউন্নয়ন বোর্ডের মহা-পরিচালক প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান, বরিশাল জোনের প্রধান প্রকৌশলী জুলফিকার আলী, উপজেলার পরিষদ চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান ফোরকান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রাজীব আহসান। এদিকে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বৃষ্টির মধ্যে সড়কের দুই পাশে স্কুলের শিক্ষার্থীদের দাঁড় করিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী উপজেলার হাজিরহাটে নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে আসেন। এ সময় বৃষ্টির মধ্যে সড়কের দুই পাশে দশমিনা সদর ইউনিয়নের হাজিরহাট নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দশমিনায় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সকাল থেকে বিদ্যালয়ের নির্ধারিত পোশাক পরে সড়কের দুই পাশে শিক্ষার্থীদের দাঁড় করিয়ে রাখেন প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টরা। এর মধ্যে শুরু হয় বৃষ্টি। বৃষ্টির মধ্যে শিক্ষার্থীরা উঠে আসতে চাইলেও তাদের সড়কে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী উপজেলার হাজিরহাটে নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে আসেন। এ বিষয়ে হাজিরহাট নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখার কোনো নিয়ম নেই। বিদ্যালয় ও ভাঙন পরিদর্শন এলাকা একই স্থানে হওয়ায় কা শিক্ষার্থীরা সড়কে গেছে। নির্দেশ না দিলে শিক্ষার্থীরা সড়কে সুশৃঙ্খলভাবে দাঁড়িয়ে থাকবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদ্যালয় খোলা ছিল। শিক্ষার্থীদের সড়কে দাঁড় করিয়ে রাখার পক্ষে আমি না। আমি অসুস্থ থাকায় ঘটনার সময় বাড়ি ছিলাম। শিক্ষার্থীরা কত সময় বৃষ্টিতে ভিজেছে-এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, বেশি সময় না। মন্ত্রী সাহেব আসছেন আর গেছেন ততক্ষণ। বৃষ্টি ছিল সর্বোচ্চ ৫ মিনিট।