Current Bangladesh Time
রবিবার আগস্ট ৩১, ২০২৫ ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
Latest News
প্রচ্ছদ  » স্লাইডার নিউজ » কেমন আছেন বরিশাল বাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ও তাঁর পরিবার 
Tuesday March 27, 2018 , 2:39 pm
Print this E-mail this

বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি বীর শ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত হন

কেমন আছেন বরিশাল বাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ও তাঁর পরিবার


মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট :  বাংলাদেশের ১৯৭১ সালে মুক্তযুদ্ধে দেশমাতৃকাকে শত্রুমুক্ত আত্মহুতি দিয়েছেন এমন সাত বীর শ্রেষ্ঠের একজন বরিশালের ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর। বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি বীর শ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত হন। জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ (বর্তমানে জাাহাঙ্গীর নগর) গ্রামে তার পৈত্রিক বাড়ী। কেমন আছেন বীরশ্রেষ্ঠে’র পরিবারবর্গ? সংসারে কে কে রয়েছেন এসব বিষয়ে সরেজমিনে খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেছে, অনেক পাওয়ার মাঝেও কিছু না পাওয়ার বেদনার কথা। পরিবার সূত্রে জানা যায়,বীর শ্রেষ্ঠের দাদা আবদুল হাতেম হাওলাদার আর আবদুল রহিম হাওলাদার ছিলেন এই এলাকার জমিদার। বাড়িতে শতাধিক বছরের পুরানো ও জরাজীর্ণ একতলা একটি ভবনটি এখনও কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এ ভবনটিতেই বসবাস করতেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর। ভবনটি বাংলা ১৩২১ খৃষ্টাব্দে নির্মাণ করা হয় কিন্তু সংস্কারের অভাবে এটি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ায় ২০০৪ সাল থেকে ভবনটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় রয়েছে। স্মৃতি চিহ্ন ভবনটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জানার জন্য জরুরীভাবে সংরক্ষন করা প্রয়োজন বলে সরকারের কাছে জোরালো দাবী জানিয়েছেন পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্তমানে পরিত্যক্ত ভবনের পাশে দোতলা টিনসেট ঘর তৈরী করে সেখানে বসবাস করছেন বীর শ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের ছোট ভাই মঞ্জুর রহমান ও তার পরিবার। বাচ্চুর ছেলে মাহমুদুল হাসান সাব্বির জানান, বরিশাল শহরের কাশিপুর এলাকায় বীরশ্রেষ্ঠের পিতার ক্রয় করা জমিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ১৯৮২ সালে চার কক্ষ বিশিষ্ট একতলা একটি ভবন নির্মান করে দেয়। কিন্তু জায়গা নিচু হওয়ার কারনে বর্ষা মৌসুমে ভবনটি পানিতে তলিয়ে যায়। যার কারণে সেখানে কেউ বসবাস করতে পাওে না। যদিও শুকনা মৌসুমে বীর শ্রেষ্ঠের অসুস্থ শয্যাশায়ী বড় বোন রেহানুর বেগম আলো (৭৬) নানা প্রতিকুলতার মধ্যে তার পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। বর্তমান সরকার ঢাকার মিরপুরে বাড়ি করে দেয়ার কথা দিলেও তা আজও অব্ধি বাস্তবায়ন হয়নি। এছাড়া পৈত্রিক বাড়িতে এ পরিবারের অনেক সদস্য উচ্চ শিক্ষিত হয়েও সরকারি কোন চাকুরীতে প্রবেশ করতে পারেনি বলে আক্ষেপ করলেন সাব্বির। ১৯৭১ সালে এ বাড়িতে ১৭ জন সরকারি চাকুরীজীবি ছিলেন। এর পর আর কেউই সরকারি চাকুরীতে প্রবেশ করতে পারেননি। তাই তিনি দাবী জানান পরিবারের সদস্যদের যাতে সরকারি চাকুরী ব্যবস্থা করে দেয়া হয়। এ বীর শ্রেষ্ঠের বাড়ির পাশেই স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে জেলা পরিষদের বাস্তবায়নে “বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর” নির্মাণ করা হয়। এটি ২০০৮ সালের ২১ মে তা উদ্বোধন করা হয়। বাড়ি ও স্মৃতি জাদুঘরটি পরিদর্শনের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। বাড়িতে কোন দর্শনার্থী আসতে গেলে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক ধরে গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর নেমে সেখান থেকে রিক্সা বা ভ্যানে করে রহিমগঞ্জ ভায়া আগরপুর হয়ে ১২ কিলোনমিটার রাস্তা পাড়ি দিতে হয়। এর মধ্যে ৩ কিলোমিটার রাস্তার অবস্থা খুবই খারপ। যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী। পরিবারের দাবী যদি জয়শ্রী থেকে রহিমগঞ্জ ভায়া কবিরাজ বাড়ী থেকে রমজানকাঠি সড়কটি চালু করা হয় তাহলে এ পথটি আরও সহজ হবে এবং দর্শনার্থীদের সংখ্যাও বাড়বে বলে, জানালেন জাদুঘর দেখাশুনার দায়িত্বে থাকা বীর শ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের চাচা, সিদ্দিকুর রহমান। বাড়ির পাশেই রয়েছে বীর শ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর স্মৃতি কলেজ, যা ২০১১ সালের ১৪ নভেম্বর নির্মানের পর থেকে এখনও এমপিও ভুক্ত হয়নি। বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বীরশ্রেষ্ঠের নামে নাম করণ এ কলেজটি এমপিওভুক্ত এবং সরকারি করনের দাবী জানিয়েছেন তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।

সূত্র : আমার বরিশাল




Archives
Image
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৭ দফা প্রস্তাব অধ্যাপক ইউনূসের
Image
বরিশাল নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন
Image
বরিশাল সিটির ১৫ কর্মকর্তার তথ্য চেয়ে দুদকের নোটিশ
Image
বরিশালে জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি গ্রেপ্তার
Image
৬ সেপ্টেম্বর পালিত হবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী