|
প্রধানমন্ত্রীর ছবি ও জাতীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলেছে সন্ত্রাসীরা
বরিশালে ফিরোজা আমু পাঠাগারে ভাংচুর
মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : জমি সংক্রান্ত বিরোধ কেন্দ্রে শিল্পমন্ত্রীর স্ত্রীর নামকরণ ফিরোজা আমু পাঠাগার ভাংচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।এ সময় হামলাকারীরা পাঠাগারে বেষ্টিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ও জাতীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলাসহ সন্ত্রাসীরা চেয়ার ভেঙ্গে ফেলে।শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঝালকাঠীর নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ১নং ওয়ার্ডের তুর্য্য ফিলিং স্টেশন পাশ্ববর্তী স্থানে এ ঘটনা ঘটে।এদিকে প্রতিপক্ষের মারধরে গুরুতর আহত হন ওই পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা নূরে আলম মোল্লার মেঝ ভাই হালিম মোল্লা।তিনি বর্তমানে শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।পরে ঘটনাস্থলে নলছিটি ৯নং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধা ও সংশ্লিষ্ট থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. মহিউদ্দিন শেখ পরিদর্শন করেন।ফিরোজা আমু স্মৃতি পাঠাগার প্রতিষ্ঠাতা যুবলীগ নেতা মো. নূরে আলম মোল্লা জানান,পিতা মরহুম আবদুল মজিদ মোল্লার রেখে যাওয়া অংশিদারিত্ব হিসেবে পাওয়া সম্পত্তি বিক্রি করা হয়।আমাদের পৈত্রিক জমি ভূমিদস্যু খ্যাত বরিশালের নুসরাত কোম্পানী (জামায়াত) নেতা কে.এম শাহআলম আনসারী দীর্ঘদিন ধরে জালিয়াতির মাধ্যমে দখলে নেয়ার পায়তারা চালিয়ে আসছে।এর ন্যায় স্থানীয় সন্ত্রাসী দপদপিয়া ১নং ওয়ার্ড ছাত্রদল সাংগঠনিক সম্পাদক একাধিক মামলায় অভিযুক্ত মিঠু খানকে তার সঙ্গে যুক্ত করে।আমি ও ভাই হালিম মোল্লা বিক্রিত জমি বুঝিয়ে দিতে যাই।এসময় পূর্ব থেকে জামায়াত নেতা আনসারী মোটর সাইকেলে ২০/৩০ জন লোক নিয়ে ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়।আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানো মাত্রই হুকুমদাতা আনসারীর নির্দেশে মিঠু খান,টুটুল,আলামিন খান (যুবদল নেতা),রিয়াজ ভাই হালিমের উপর হামলা চালায় এবং তাকে বেদম মারধর করে।তিনি বলেন,এর আগে একই হামলাকারীরা আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চালায়।বিভিন্ন সময় মামলায় ফাঁসাতে চেয়েছে।এমনকি শিল্পমন্ত্রী আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি’র স্ত্রীর নামকরণ ফিরোজা আমু স্মৃতি পাঠাগারের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা পূর্বক তা বিভিন্ন মহলে প্রচার করাসহ নামে বেনামে অভিযোগ দিয়েছে।এ কারণে পাঠাগারটি উদ্বোধন হয়েও চালু হচ্ছিলনা।তবে শিল্পমন্ত্রীর রাজনৈতিক আদর্শ ধরে রাখতে পাঠাগারটি আমি ৫/৬ বছর ধরে দেখভাল করে আসছি।এ বিষয়ে ৯নং দপদপিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধা বলেন,জমি বিরোধে ঘটনার সূত্রপাত।তবে প্রধানমন্ত্রী ও শিল্পমন্ত্রীর ছবি বেষ্টিত পাঠাগার কেউ ভেঙ্গে থাকলে তারা অপরাধ করেছে।এজন্য তাদের শাস্তি পেতে হবে।ইতিমধ্যে থানা পুলিশকে তদন্ত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী নলছিটি থানার এসআই মো. মহিউদ্দিন শেখ জানান,পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা নূরে আলম মোল্লাকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।এই অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুনগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এ অভিযোগের বিষয়ে নুসরাত কোম্পানীর স্বত্ত্বাধিকারী জামায়াত নেতা কে.এম শাহ আলম আনসারীর ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দেয়া হলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
Post Views:
১৭৫
|
|