Current Bangladesh Time
শুক্রবার মার্চ ৬, ২০২৬ ১০:৫১ পূর্বাহ্ণ
Latest News
প্রচ্ছদ  » স্লাইডার নিউজ » দক্ষিণাঞ্চলে লঞ্চের ৮৬ শতাংশ নারী যাত্রী যৌন হয়রানির শিকার 
Thursday April 12, 2018 , 7:00 pm
Print this E-mail this

দক্ষিণাঞ্চলে লঞ্চের ৮৬ শতাংশ নারী যাত্রী যৌন হয়রানির শিকার


মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলে লঞ্চে যাতায়াতকালে ৮৬ দশমিক ৪ শতাংশ নারী যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বুধবার (১১ এপ্রিল) বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘গণপরিবহনে নারীদের যৌন নির্যাতন ও হয়রানি’ নিয়ে তরুণদের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। বরিশাল ইয়ুথ সোসাইটি (বিওয়াইএস) এবং ইয়ুথ ফর চেঞ্জ বাংলাদেশ নামে দুটি সংগঠন এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন বরিশাল ইযুথ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও গবেষণার সমন্বয়কারী ফয়েজ বেলাল। তিনি জানান, উদ্বিগ্নতা থেকেই আমরা নারীর প্রতি সহিংসতা, বিশেষভাবে যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের বিষয়টি জানার চেষ্টা করেছি। একটি সামাজিক সমীক্ষা চালিয়ে। আমরা গণমাধ্যম পর্যবেক্ষন করেছি। সড়ক পথ ও নৌপথে যাতায়াতকারী মোট ৭৮৭ জন নারীর সাক্ষাতকার নিয়েছি। এর মধ্যে ২৮৭ জন নারী সড়ক পথে পরিবহন নিয়ে কথা বলেছেন এবং দক্ষিণবঙ্গের ৫০০ জন নারী বলেছেন নৌ পথ নিয়ে। সড়কপথের চিত্র অনুযায়ী শতভাগ নারী বলেছেন তারা গণপরিবহনে যৌন হয়রানির শিকার হন। আর নৌপথ লঞ্চে যাতায়াতকারী ৫০০ জন নারীর মধ্যে ৮৬ দশমিক ৮ শতাংশ নারী বলেছেন তারা যৌন হয়রানির শিকার হয়। তবে ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ নারী এ বিষয়ে উত্তর দেয়নি। প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, যৌন হয়রানির শিকার নারীদের মধ্যে ৩১ দশমিক ১৫ শতাংশ নারীকে বাজে কথা বলে হয়রানি করা হয়। পাশাপাশি গায়ে হাত দিয়ে হয়রানি করা হয় ১৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ নারীকে। নারীদের ছবি তোলার মাধ্যমে হয়রানি করা হয় ১৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং বাজে (অশ্লীল) অঙ্গভঙ্গি করে ৩৩ দশমিক ২ শতাংশ নারীকে হয়রানি করা হয়। লঞ্চে যে সব নারীরা যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে তাদের মধ্যে ১৮ দশমিক ৪১ শতাংশ নারী মৌখিক প্রতিবাদ করেছে। তবে কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। ১২ থেকে ৪০ বছর বয়সী নারীদের নিয়ে এ গবেষণার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যৌন হয়রানির শিকার হয়ে যেসব নারী প্রতিবাদ করেছেন। তাদের দেখে পাশা থাকা ১১ শতাংশ যাত্রী প্রতিবাদ করেছে। অন্য ৬০ শতাংশ যাত্রী কোনো প্রতিবাদ করেনি। ২৯ দশমিক ৩ শতাংশ যাত্রী প্রতিবাদকারী নারীর ওপর বিরক্তবোধ করেছে। আবার লঞ্চের কর্মচারীরা ৫ দশমিক ১ শতাংশ নারীকে সাহায্য করেছেন। কিন্তু ৯৪ দশমিক ১ শতাংশ নারী কোনো ধরনের সাহায্য পায়নি। বিওয়াইএস এবং ইয়ুথ ফর চেঞ্জ বাংলাদেশ এ দুটি পৃথক সংগঠনের তরুণরা বাল্য বিয়ে, লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সমতা ভিত্তিক সমাজের জন্য কাজ করে। এ তরুণরা নারীর প্রতি যৌন নির্যাতন এবং হয়রানি বন্ধ করতে চায়। গবেষণার সমন্বয়কারী ফয়েজ বলেন, গবেষণায় অংশগ্রহণকারী নারীদের কাছ থেকে যে সুপারিশ উঠে এসেছে সে গুলোকে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন গবেষণায় সংযুক্ত থাকা ইসরাত জাহান মিতু, সায়মন আক্তার, আবির আহমেদ ও রুম্মান রথি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ যাত্রীবাহী লঞ্চ মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, যাত্রীবাহী লঞ্চে নারীরা যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে যৌন হয়রানির শিকার হয় না সে কথা বলা যাবে না। তবে গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী এতো নারী যৌন হয়রানির শিকার হয় না।




Archives
Image
বরিশালে প্রকাশ্যে শিক্ষাবোর্ড কর্মকর্তার ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ
Image
তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে নির্ভুল ও দায়িত্বশীল তথ্য পরিবেশন নিশ্চিত করতে হবে : তথ্যমন্ত্রী
Image
ভিভিআইপি মর্যাদায় কী কী সুবিধা পাবেন ড. ইউনূস
Image
বরিশালে টিকটক ভিডিও বানাতে গিয়ে প্রাণ গেলো স্কুল ছাত্রের!
Image
বরিশাল আইনজীবী সমিতির মনোনয়নপত্র বিতরণকে কেন্দ্র করে হট্টগোল