Current Bangladesh Time
রবিবার সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১ ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
Latest News




প্রচ্ছদ  » স্লাইডার নিউজ » ক্লিনিকে মৃত ঘোষণা, কবর দেওয়ার আগে কেঁদে উঠল শিশু 
Friday August 27, 2021 , 5:35 pm
Print this E-mail this

শ্বাস কষ্ট দেখে মনে হয়েছে ওকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা গেলে বেঁচে যেতে পারে

ক্লিনিকে মৃত ঘোষণা, কবর দেওয়ার আগে কেঁদে উঠল শিশু


মুক্তখবর ডেস্ক রিপোর্ট : মৃত ঘোষণার পর বেঁচে ওঠা শিশুটি এখন বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগে চিকিৎসাধীন। সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে জন্ম হওয়ার কিছুক্ষণ পর নবজাতকটিকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত নার্স ও চিকিৎসকরা। এরপর শিশুটিকে কবর দিতে কার্টনে করে নিয়ে আসা হয় বাড়ীতে। কার্টনে থাকার দুই ঘন্টা পরে নবজাতক শিশুকে সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে কবরস্থানে নেওয়ার আগে স্থানীয় এক আলেম মৃত নবজাতককে দেখার জন্য বাঁধা কার্টনটি খোলেন। আর তখনই কেঁদে ওঠে নবজাতক। অলৌকিকভাবে বেচেঁ উঠার খবর পেয়ে শিশুটিকে এক নজর দেখার জন্য শত শত মানুষ ছুটে আসে। বৃহস্পতিবার ভাণ্ডারিয়া উপজেলার পার্শের কানুদাশকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার এসব তথ্য জানান শিশুটির বাবা মো: ফোরকান মৃধা। কেঁদে ওঠার পর নবজাতকে দ্রুত ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক এর পরার্মশে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাঠানো হয়। ওই হাসপাতালেই বর্তমানে সে শিশু বিভাগের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

শিশুটির বাবা মো: ফোরকান মৃধা ভাণ্ডারিয়া পৌর শহরের একটি ভাড়াটিয়া দোকানে ফ্রিজ মেকারের কাজ করেন। তার গ্রামের বাড়ী ভাণ্ডারিয়া উপজেলার পার্শবর্তি রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের কানুদাশকাঠী গ্রামে। ঘটনার বিবরণ দিয়ে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকালে তার স্ত্রী বিলকিসের পেটে ব্যাথা শুরু হলে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে তাঁকে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানের সিনিয়র নার্স ফাহিমার কাছে নিয়ে গেলে তিনি স্ত্রীর অবস্থা জানতে একটি আল্টাসোনোগ্রাম করে ডাক্তরকে দেখাতে বলে। আমি স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতাল সংলগ্ন লাবন্য ক্লিনিকে আল্টাসোনোগ্রাম করতে গেলে স্ত্রীর প্রসব বেদনা শুরু হয় এবং সেখানেই নরমালে একটি পুত্র সন্তান প্রসব হয়। তখন ওই ক্লিনিকের চিকিৎসকরা আমাদের শিশুকে মৃত ঘোষনা করে এবং স্ত্রী বিলকিসকে ঔষুধপত্র লিখে দেয়। পরে ওইখানের নার্সদের সহযোগিতায় নবজাতকটিকে একটি কাগজের কার্টনে ভরে কবর দেওয়ার জন্য বাড়ী নিয়ে যাই। প্রায় দু ঘন্টা পরে সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে কবরস্থানে নেওয়ার আগে স্থানীয় এক আলেম (হুজুর) মৃত নবজাতককে দেখার জন্য কার্টনটি খোলেন। আর তখনই কেঁদে ওঠে শিশুটি।

সঙ্গে সঙ্গে শিশুটিকে প্রথমে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসি। ওই ক্লিনিকরে সামনে ঔষুধ কিন্তে আসেন রোগী নাসিমা বেগম। তিনি ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী। তিনি বলেন, জন্মের কিছুক্ষণ পরে ওই ক্লিনিকের নার্স ও কর্তব্যরত চিকিৎসকরা কোন প্রকার পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে একটি কার্টনে ভরে দেন।শিশুটির বাবা মো: ফোরকান মৃধা বলেন, মা ও শিশু উভয়ই এখন সুস্থ। আমার ছেলেকে মহান আল্লাহ রক্ষা করেছে তাই সকলের কাছে দোয়া চাই। এ বিষয়ে লাবন্য ক্লিনিকের ম্যানেজার ফিরোজ বলেন, রোগী আল্টাসোনোগ্রাম করতে এসে হঠাৎ সন্তান প্রসব করে। নার্সরা শিশুটি জন্মের পরে রক্তের মাখামাখি অবস্থায় তার পালস ও হার্টবিট চেষ্টা করেও পায়নি। নবজাতকের মা আমাদের ভর্তি রোগী নয়। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা: ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, শিশুটি ৭ মাসে জন্ম হয়েছে এবং শ্বাস কষ্ট দেখে মনে হয়েছে ওকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা গেলে বেঁচে যেতে পারে। তাই বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছি।

Archives




Image
বিএমপি’র শুদ্ধাচার ও সচেতনতামূলক পৃথক পৃথক কর্মশালা
Image
পুলিশ সার্ভিস কোন চাকুরী নয়, এটা দায় এবং একটি সেবা-বিএমপি কমিশনার
Image
শারদীয় দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে প্রতিদিনই বরিশালে ইলিশের চাহিদা বাড়ছে
Image
শুক্রবার হাসপাতালে ডাক্তারা না থাকার রেওয়াজকে অনেকটা প্রতিষ্ঠিত করে গেলেন স্বাস্থ্য মহাপরিচালক
Image
ওসি চাইলেই হ্যামিলিনের বাঁশিওয়ালা হতে পারেন‌-আইজিপি